চট্টগ্রামে বাসায় বিস্ফোরণ, মৃত্যু বেড়ে ৫
চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরের একটি বাসায় বিস্ফোরণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় দগ্ধ শাখাওয়াত হোসেন মারা যান। শাখাওয়াতের ফুফাতো ভাই জামশেদ আলম কালবেলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শাখাওয়াত হোসেনের মৃত্যুর বিষয়টি চিকিৎসকরা আমাদের জানিয়েছেন। এর আগে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে শাখাওয়াতের ছোট ভাই সামির আহমেদ সুমনের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি মারা যান। তিনি ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন। এর আগে দুপুরে সামির আহমেদ সুমন মারা যান। সকালে শাখাওয়াত হোসেনের ছেলে সাফায়াত হোসেন ও আগের দিন বিকেলে স্ত্রী নুরজাহান বেগম মারা যান। বর্তমানে তাদের পরিবারের আরও চারজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। তাদের অবস্থাও সংকটাপন্ন। গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে হালিশহরের এইচ ব্লকে এসি মসজিদসংলগ্ন ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামের ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি বাসায় বিস্ফোরণ ঘটে। পরে সেখানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নি
চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরের একটি বাসায় বিস্ফোরণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় দগ্ধ শাখাওয়াত হোসেন মারা যান। শাখাওয়াতের ফুফাতো ভাই জামশেদ আলম কালবেলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শাখাওয়াত হোসেনের মৃত্যুর বিষয়টি চিকিৎসকরা আমাদের জানিয়েছেন।
এর আগে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে শাখাওয়াতের ছোট ভাই সামির আহমেদ সুমনের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি মারা যান। তিনি ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন।
এর আগে দুপুরে সামির আহমেদ সুমন মারা যান। সকালে শাখাওয়াত হোসেনের ছেলে সাফায়াত হোসেন ও আগের দিন বিকেলে স্ত্রী নুরজাহান বেগম মারা যান। বর্তমানে তাদের পরিবারের আরও চারজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। তাদের অবস্থাও সংকটাপন্ন।
গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে হালিশহরের এইচ ব্লকে এসি মসজিদসংলগ্ন ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামের ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি বাসায় বিস্ফোরণ ঘটে। পরে সেখানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ ঘটনায় একই পরিবারের ৯ জন গুরুতর দগ্ধ হন। স্থানীয় লোকজন দগ্ধ ব্যক্তিদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরবর্তীতে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় বিকেলেই তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়।
What's Your Reaction?