চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে ১৯ দিনব্যাপী স্বাধীনতা বইমেলা

চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে ১৯ দিনব্যাপী মহান স্বাধীনতা বইমেলা-২০২৬। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলা আগামী ৩১ মার্চ বিকেল ৪টায় নগরের জিমনেসিয়াম মাঠে উদ্বোধন হবে। বইমেলা চলবে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত। সোমবার (৩০ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বিবৃতিতে বলা হয়, স্বাধীনতার মাস উপলক্ষে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ বইমেলার আয়োজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিকাশে লেখক-পাঠকদের মিলনমেলায় পরিণত হবে এবারের আয়োজন। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৪০ হাজার বর্গফুটের জিমনেসিয়াম মাঠজুড়ে ১২৯টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টি ডাবল ও ৯৪টি সিঙ্গেল স্টল। ঢাকা ও চট্টগ্রামের ১১২টি প্রকাশনা সংস্থা এবারের মেলায় অংশ নিচ্ছে। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা উন্মুক্ত থাকবে। ছুটির দিনে সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন। মেলার অনুষ্ঠানমালায় থাকছে রবীন্দ্র ও নজরুল উৎসব, লেখক সমাবেশ, শিশু ও যুব উৎসব, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আয়োজন, কবিতা ও ছড়া উৎসব, আলোচনা সভা, লোক ও বৈ

চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে ১৯ দিনব্যাপী স্বাধীনতা বইমেলা

চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে ১৯ দিনব্যাপী মহান স্বাধীনতা বইমেলা-২০২৬। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলা আগামী ৩১ মার্চ বিকেল ৪টায় নগরের জিমনেসিয়াম মাঠে উদ্বোধন হবে। বইমেলা চলবে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত।

সোমবার (৩০ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, স্বাধীনতার মাস উপলক্ষে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ বইমেলার আয়োজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিকাশে লেখক-পাঠকদের মিলনমেলায় পরিণত হবে এবারের আয়োজন।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৪০ হাজার বর্গফুটের জিমনেসিয়াম মাঠজুড়ে ১২৯টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টি ডাবল ও ৯৪টি সিঙ্গেল স্টল। ঢাকা ও চট্টগ্রামের ১১২টি প্রকাশনা সংস্থা এবারের মেলায় অংশ নিচ্ছে।

প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা উন্মুক্ত থাকবে। ছুটির দিনে সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন।

মেলার অনুষ্ঠানমালায় থাকছে রবীন্দ্র ও নজরুল উৎসব, লেখক সমাবেশ, শিশু ও যুব উৎসব, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আয়োজন, কবিতা ও ছড়া উৎসব, আলোচনা সভা, লোক ও বৈশাখী উৎসবসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রতিদিনের আলোচনায় দেশের প্রখ্যাত লেখক, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা অংশ নেবেন।

এছাড়া শিশু-কিশোরদের জন্য চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি, সংগীত ও নৃত্যের আয়োজন থাকবে। মেলায় জাতীয় জীবনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্যক্তিদের ‘স্বাধীনতা সম্মাননা স্মারক পদক’ দেওয়া হবে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরো মেলা প্রাঙ্গণ সিসিটিভির আওতায় রাখা হবে। পুলিশের পাশাপাশি বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মীরাও দায়িত্ব পালন করবেন।

বিবৃতিতে মেয়র বলেন, আধুনিক প্রজন্মকে মোবাইল ও মাদকাসক্তি থেকে দূরে রাখতে বইয়ের বিকল্প নেই। বইমেলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বইমুখী করতে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি মেলার প্রচার-প্রসারে সহযোগিতা কামনা করেন এবং সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে পরিবার-পরিজনসহ মেলায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

এমআরএএইচ/এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow