চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণের দাবিতে চবিতে মানববন্ধন
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ককে দ্রুত ৬ লেনে উন্নীতকরণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা এ মহাসড়ককে দক্ষিণাঞ্চলের মরণফাঁদ উল্লেখ করে দ্রুত সংস্কার ও সম্প্রসারণের দাবি জানান। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ‘বৃহত্তর দক্ষিণ চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের সচেতন শিক্ষার্থীবৃন্দ’ ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীদের ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘সড়ক সড়ক সড়ক চাই, নিরাপদ সড়ক চাই’, ‘দাবি মোদের একটাই, নিরাপদ সড়ক চাই’, ‘এ মুহূর্তে দরকার ৬ লেনের সংস্কার’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও চকরিয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদেরের সঞ্চালনায় পেকুয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘যেখানে আমাদের নিরাপদে যাওয়ার কথা, সেখানে ফিরতে হচ্ছে লাশ হয়ে। আমরা চাই দ্রুত ৬ লেন
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ককে দ্রুত ৬ লেনে উন্নীতকরণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা এ মহাসড়ককে দক্ষিণাঞ্চলের মরণফাঁদ উল্লেখ করে দ্রুত সংস্কার ও সম্প্রসারণের দাবি জানান।
মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ‘বৃহত্তর দক্ষিণ চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের সচেতন শিক্ষার্থীবৃন্দ’ ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীদের ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘সড়ক সড়ক সড়ক চাই, নিরাপদ সড়ক চাই’, ‘দাবি মোদের একটাই, নিরাপদ সড়ক চাই’, ‘এ মুহূর্তে দরকার ৬ লেনের সংস্কার’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও চকরিয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদেরের সঞ্চালনায় পেকুয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘যেখানে আমাদের নিরাপদে যাওয়ার কথা, সেখানে ফিরতে হচ্ছে লাশ হয়ে। আমরা চাই দ্রুত ৬ লেন বাস্তবায়ন করা হোক। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো নিরাপদ করা হোক। শুধু কিছু অংশ প্রশস্ত করলে হবে না, এটি ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক কম। যেখানে ফ্লাইওভার প্রয়োজন সেখানে ফ্লাইওভার নির্মাণ করতে হবে। পর্যটন শিল্প ও বৃহৎ প্রকল্পগুলোর জন্যও এই সড়ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
চাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য আদনান শরীফ বলেন, ‘এই সড়কের ওপর শত কোটি টাকার বাণিজ্য ও রেমিট্যান্স নির্ভর করছে। কিন্তু সরকারের উদাসীনতার কারণে এটি যেন গোরস্তানে পরিণত হয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে চারজন মন্ত্রী থাকলেও আমরা কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন দেখছি না। নির্বাচনের সময় যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তার বাস্তবায়ন চাই। দ্রুত ৬ লেন বাস্তবায়ন না হলে আমরা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলব।’
শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক আন্দুল মান্নান বলেন, ‘এটি আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। সড়কটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন আজকের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত চলমান থাকা উচিত। আমাদের একটাই দাবি সড়কটি নির্মাণ করুন, রাষ্ট্রের উন্নয়ন নিশ্চিত করুন।’
বাঁশখালির সন্তান ও ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জালাল সিদ্দীকি বলেন, ‘নির্বাচনের সময় এই সড়ক নিয়ে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। আমরা চাই দ্রুত তা বাস্তবায়ন হোক। সরকার এশিয়ান হাইওয়ে প্রকল্প হাতে নিয়েছে, কিন্তু তা বাস্তবায়নে সময় লাগবে। এর মধ্যে আরও অনেক প্রাণ ঝরে যেতে পারে। তাই গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ৬ লেনের পাশাপাশি বিকল্প সড়কও নির্মাণ করতে হবে, যাতে যানচাপ কমে।’
What's Your Reaction?