চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলামে ৩৭৮ কনটেইনার পণ্য

চট্টগ্রাম বন্দরে জট কমাতে ও কার্যক্রম সচল রাখতে ৩৭৮ কনটেইনার অখালাসকৃত পণ্য নিলামে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার জট, নিরাপত্তা ঝুঁকি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধের পাশাপাশি বন্দরের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অখালাসকৃত ও নিলামযোগ্য পণ্য বিক্রির কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনা করে আসছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। এর ধারাবাহিকতায় মার্চ মাসে মোট ৩৭৮ কনটেইনার পণ্য ই-অকশন পদ্ধতিতে নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এনবিআরের বিশেষ আদেশ অনুযায়ী ৪৯টি লটে মোট ১৮০ কনটেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, প্লাস্টিক স্ক্র্যাপ, আর্ট পেপার, বিটুমিন, ফেব্রিক্স, হাউজহোল্ড আইটেমস, গাড়ির যন্ত্রাংশসহ অন্যান্য সামগ্রী। এসব পণ্যের ক্ষেত্রে কোনো সংরক্ষিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়নি। এছাড়া, পৃথক স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী নিলামে বিক্রি করা হবে ৭৪টি লটে মোট ১৯৮ কনটেইনার পণ্য। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ক্যাপি

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলামে ৩৭৮ কনটেইনার পণ্য

চট্টগ্রাম বন্দরে জট কমাতে ও কার্যক্রম সচল রাখতে ৩৭৮ কনটেইনার অখালাসকৃত পণ্য নিলামে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস।

রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার জট, নিরাপত্তা ঝুঁকি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধের পাশাপাশি বন্দরের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অখালাসকৃত ও নিলামযোগ্য পণ্য বিক্রির কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনা করে আসছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। এর ধারাবাহিকতায় মার্চ মাসে মোট ৩৭৮ কনটেইনার পণ্য ই-অকশন পদ্ধতিতে নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এনবিআরের বিশেষ আদেশ অনুযায়ী ৪৯টি লটে মোট ১৮০ কনটেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, প্লাস্টিক স্ক্র্যাপ, আর্ট পেপার, বিটুমিন, ফেব্রিক্স, হাউজহোল্ড আইটেমস, গাড়ির যন্ত্রাংশসহ অন্যান্য সামগ্রী। এসব পণ্যের ক্ষেত্রে কোনো সংরক্ষিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়নি।

এছাড়া, পৃথক স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী নিলামে বিক্রি করা হবে ৭৪টি লটে মোট ১৯৮ কনটেইনার পণ্য। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, মেটাল স্ক্র্যাপ ও ক্রাফট লাইনার পেপারসহ অন্যান্য পণ্য।

এনবিআর জানায়, নিলাম কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালনা করা হবে। মার্চ মাসজুড়ে আগ্রহী বিডারদের সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়া এবং অনলাইনে বিড করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

আগ্রহী ক্রেতারা বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে ঘরে বসেই অনলাইনে দরপত্র জমা দিতে পারবেন। তবে অনলাইনে বিড করার পাশাপাশি জামানতের পে-অর্ডার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্ধারিত দরপত্র বাক্সে জমা দিতে হবে। সর্বোচ্চ দরদাতাদের আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২৪ অনুযায়ী পণ্য খালাস করতে হবে।

এসএম/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow