চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজ মুসলিম বিশ্ব : মামুনুল হক

মুসলিম বিশ্ব আজ চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।  তিনি বলেন, ইরানের প্রতি অত্যন্ত ভগ্ন হৃদয়ে গভীর সহমর্মিতা ও সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজকের মুসলিম বিশ্ব। আমরা আরব বিশ্ব থেকে অনেক দূরে। অনেকটা নিরাপদ অবস্থানেও রয়েছি। তবুও আমরা স্বস্তি পাচ্ছি না। কারণ আমরা সেই নবীর উম্মত, যিনি বলেছেন- পুরো মুসলিম উম্মাহ এক দেহের ন্যায়। আমরা স্বৈরতান্ত্রিক বিশ্বব্যবস্থা থেকে মুক্তি চাই। শনিবার (৭ মার্চ) বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কর্তৃক আলেম-ওলামা, রাজনৈতিক, কূটনীতিক, সাংবাদিকসহ বিশিষ্ট নাগরিকদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর কাকরাইলস্থ হোটেল রাজমনি ঈসা খাঁ-এ আয়োজিত ইফতার মাহফিল সঞ্চালনা করেন সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। এতে উপস্থিত ছিলেন এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, এনসিপির সদস্য-সচিব আখতার হোসাইন এমপি, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম, এনসিপির মুখ্য সচিব হাসনাত আব

চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজ মুসলিম বিশ্ব : মামুনুল হক

মুসলিম বিশ্ব আজ চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। 

তিনি বলেন, ইরানের প্রতি অত্যন্ত ভগ্ন হৃদয়ে গভীর সহমর্মিতা ও সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজকের মুসলিম বিশ্ব। আমরা আরব বিশ্ব থেকে অনেক দূরে। অনেকটা নিরাপদ অবস্থানেও রয়েছি। তবুও আমরা স্বস্তি পাচ্ছি না। কারণ আমরা সেই নবীর উম্মত, যিনি বলেছেন- পুরো মুসলিম উম্মাহ এক দেহের ন্যায়। আমরা স্বৈরতান্ত্রিক বিশ্বব্যবস্থা থেকে মুক্তি চাই।

শনিবার (৭ মার্চ) বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কর্তৃক আলেম-ওলামা, রাজনৈতিক, কূটনীতিক, সাংবাদিকসহ বিশিষ্ট নাগরিকদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাজধানীর কাকরাইলস্থ হোটেল রাজমনি ঈসা খাঁ-এ আয়োজিত ইফতার মাহফিল সঞ্চালনা করেন সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। এতে উপস্থিত ছিলেন এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, এনসিপির সদস্য-সচিব আখতার হোসাইন এমপি, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম, এনসিপির মুখ্য সচিব হাসনাত আব্দুল্লাহ, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নেতা মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ ও মাওলানা সাঈদ উদ্দিন আহমদ হানজালা। 

উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের অভিভাবক পরিষদের সদস্য মাওলানা খোরশেদ আলম কাসেমী, খেলাফত মজলিসের প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুল হাফিজ খসরু, পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনার মুহাম্মদ ওয়াসিফ, ইরানের কনস্যুলার মাহমুদ খসরভি, মিয়ানমারের ডেপুটি চিফ অব মিশন হেয় মিয়াত লুইন প্রমুখ।

মাওলানা মামুনুল হক বলেন, জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের পর বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে শান্তিতে থাকার কথা ছিল, আজ সেই পরিস্থিতি নেই। ২০১৩ সালের গণজাগরণ, ২০২১ সালের আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর যখন আহত ও শহীদদের রক্ত এখনো শুকায়নি, তখনই গণভোটের রায়কে পাশ কাটিয়ে চলার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, রমজানের অন্যতম শিক্ষা হলো জবাবদিহিতা। আজকের সরকারকে বলব, বিগত দিনে দেখেছি আপনারা আওয়ামী লীগের কপি-পেস্ট করার চেষ্টা করেন। এবারও সে আলামত দেখতে পাচ্ছি। যদি আওয়ামী লীগের ভূত আপনাদের মাথায় বসে, তাহলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ চায়- কোনো কাটাছেঁড়া ছাড়াই জুলাই গণভোটের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হোক। ২০০৯ সালের পিলখানা ট্র্যাজেডি থেকে শুরু করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের হাজারো আহত ও শহীদের ত্যাগ-তিতিক্ষার যথাযথ মূল্যায়ন হবে জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়নের মাধ্যমে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow