চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু, স্বজনদের বিক্ষোভ

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় মো: আনোয়ার হোসেন (৫৫) নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্বজনরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে।বুধবার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে নিহত আনোয়ার হোসেনের শতাধিক স্বজন চিকিৎসকের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করে। বিক্ষোভকারীরা হাসপাতালে প্রবেশ করতে চাইলে পুলিশ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ তাদের বাধা দেয়।নিহতের ভাই মো: কামাল হোসেন জানান, মঙ্গলবার রাতে আনোয়ার হোসেন (নিহত রোগী) গ্যাসজনিত অসুস্থতা নিয়ে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। রাতেই তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে তারা রোগীকে বাড়ি নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। তবে ডাক্তার আরও একদিন রোগীকে হাসপাতালে রাখতে বললে কামাল হোসেন বাড়ি চলে যান। তিনি বলেন, আজ সকালে আমার ভাই নিজে হেঁটে বাথরুমে যান এবং দুপুরে স্বাভাবিকভাবে খাবার খান। দুপুর ২টার পর ডাক্তার কুতুবুদ্দিন (আরএমও) আমার ভাইয়ের শরীরে ইনজেকশন দিলে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। তারা ডাক্তারকে বিষয়টি জানালে তিনি রোগীকে ফরিদপুর নেওয়ার কথা বলেন। অ্যাম্বুলেন্স ঠিক করতে গেলে রোগী মারা যান। এর পর থেকে ওই ডাক

চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু, স্বজনদের বিক্ষোভ

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় মো: আনোয়ার হোসেন (৫৫) নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্বজনরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে।

বুধবার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে নিহত আনোয়ার হোসেনের শতাধিক স্বজন চিকিৎসকের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করে। বিক্ষোভকারীরা হাসপাতালে প্রবেশ করতে চাইলে পুলিশ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ তাদের বাধা দেয়।

নিহতের ভাই মো: কামাল হোসেন জানান, মঙ্গলবার রাতে আনোয়ার হোসেন (নিহত রোগী) গ্যাসজনিত অসুস্থতা নিয়ে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। রাতেই তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে তারা রোগীকে বাড়ি নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। তবে ডাক্তার আরও একদিন রোগীকে হাসপাতালে রাখতে বললে কামাল হোসেন বাড়ি চলে যান।

তিনি বলেন, আজ সকালে আমার ভাই নিজে হেঁটে বাথরুমে যান এবং দুপুরে স্বাভাবিকভাবে খাবার খান। দুপুর ২টার পর ডাক্তার কুতুবুদ্দিন (আরএমও) আমার ভাইয়ের শরীরে ইনজেকশন দিলে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। তারা ডাক্তারকে বিষয়টি জানালে তিনি রোগীকে ফরিদপুর নেওয়ার কথা বলেন। অ্যাম্বুলেন্স ঠিক করতে গেলে রোগী মারা যান। এর পর থেকে ওই ডাক্তারকে আর হাসপাতালে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা: কুতুবুদ্দিনের মন্তব্য নিতে হাসপাতালে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার মোবাইল ফোনে কল দিলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডিউটিরত ডা: মো: ইনজামামুল হক শিহাব জানান, হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বাইরে রোগীর স্বজনরা হট্টগোল শুরু করে। এতে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীসহ তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তিনি বিষয়টি তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow