নেত্রকোণার সীমান্তে ২৪ ঘণ্টা কড়া নজরদারি বিজিবির

নেত্রকোণার সীমান্ত এলাকায় পুশ-ইনের চেষ্টা, মাদক ও অন্যান্য চোরাচালান প্রতিরোধে ২৪ ঘণ্টা কঠোর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে নেত্রকোণা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি)। সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং আধুনিক সরঞ্জামের ব্যবহারের মাধ্যমে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।দুর্গাপুর উপজেলার মাধুপাড়া বিওপি ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব তথ্য জানান ৩১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারী। তিনি বলেন, ৩১ বিজিবির দায়িত্বাধীন প্রায় ৯২ কিলোমিটার সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেখানে সার্বক্ষণিক টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থা, স্থানীয় বাসিন্দা এবং আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) সদস্যদের সহযোগিতায় সীমান্ত নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।তিনি জানান, সীমান্তে স্থাপিত সিসি ক্যামেরা, মেগাফোন, টর্চলাইটসহ বিভিন্ন নজরদারি সরঞ্জাম ব্যবহার করে বিজিবি সদস্যরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন। এর ফলে অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।পুশ-ইন প্রসঙ্গে অধিনায়ক বলেন, গোয়েন্দা ত

নেত্রকোণার সীমান্তে ২৪ ঘণ্টা কড়া নজরদারি বিজিবির

নেত্রকোণার সীমান্ত এলাকায় পুশ-ইনের চেষ্টা, মাদক ও অন্যান্য চোরাচালান প্রতিরোধে ২৪ ঘণ্টা কঠোর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে নেত্রকোণা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি)। সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং আধুনিক সরঞ্জামের ব্যবহারের মাধ্যমে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

দুর্গাপুর উপজেলার মাধুপাড়া বিওপি ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব তথ্য জানান ৩১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারী।

তিনি বলেন, ৩১ বিজিবির দায়িত্বাধীন প্রায় ৯২ কিলোমিটার সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেখানে সার্বক্ষণিক টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থা, স্থানীয় বাসিন্দা এবং আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) সদস্যদের সহযোগিতায় সীমান্ত নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।

তিনি জানান, সীমান্তে স্থাপিত সিসি ক্যামেরা, মেগাফোন, টর্চলাইটসহ বিভিন্ন নজরদারি সরঞ্জাম ব্যবহার করে বিজিবি সদস্যরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন। এর ফলে অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

পুশ-ইন প্রসঙ্গে অধিনায়ক বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কয়েক দিন ধরে পাতলাবন সীমান্তের ওপারে শীতারাম বালি স্কুলে ১০ থেকে ১৫ জন বাংলাদেশিকে জড়ো করেছিল। তবে বিজিবির কঠোর অবস্থান ও সার্বক্ষণিক নজরদারির কারণে তাদের বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা সফল হয়নি। পরে তাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, সীমান্ত দিয়ে মদ, ইয়াবা, ফেনসিডিল, ট্যাপেন্টাডল, গাঁজা, গবাদিপশু এবং বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী পাচারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এসব চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে বিজিবি।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারী বলেন, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে ৩১ বিজিবি। সীমান্ত সুরক্ষা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow