টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এক সমিতির দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

যশোরের অভয়নগরে দোয়েল বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি ও সহ-সভাপতির বিরুদ্ধে ২ কোটি ৪২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সমবায় সমিতির সাবেক ক্যাশিয়ার জাফরপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা করেন।সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সুলতানা অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার জন্য অভয়নগর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।আসামিরা হলেন, জাফরপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে ও দোয়েল বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি শেখ খসরু পারভেজ এবং একই গ্রামের শেখ মোশারফ হোসেনের ছেলে ও সমিতির সহ-সভাপতি শেখ সাহাদুল্লা।মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে শফিকুল ইসলামকে সমিতির ক্যাশিয়ার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সেই সুযোগে আসামিরা সমিতির ৪৮৬ জন সদস্যের কাছ থেকে ডিপিএস ও সঞ্চয়ের নামে মোট ২ কোটি ৪২ লাখ ২৪ হাজার ৪৮৬ টাকা সংগ্রহ করে আত্মসাৎ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে আসামিদের পক্ষ থেকে টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও পরে তারা টাকা পরিশোধ করেননি। সদস্যরা তাদের জমাকৃত টাকা ফেরত না পেয়ে তাকে দায়ী করে বিভিন্নভাবে চাপ ও অপমান করছেন।গত ২২ মে তিনি সমিতির কার্যালয়ে গিয়ে আসামিদের কাছে গ্রাহ

টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এক সমিতির দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

যশোরের অভয়নগরে দোয়েল বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি ও সহ-সভাপতির বিরুদ্ধে ২ কোটি ৪২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সমবায় সমিতির সাবেক ক্যাশিয়ার জাফরপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সুলতানা অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার জন্য অভয়নগর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

আসামিরা হলেন, জাফরপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে ও দোয়েল বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি শেখ খসরু পারভেজ এবং একই গ্রামের শেখ মোশারফ হোসেনের ছেলে ও সমিতির সহ-সভাপতি শেখ সাহাদুল্লা।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে শফিকুল ইসলামকে সমিতির ক্যাশিয়ার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সেই সুযোগে আসামিরা সমিতির ৪৮৬ জন সদস্যের কাছ থেকে ডিপিএস ও সঞ্চয়ের নামে মোট ২ কোটি ৪২ লাখ ২৪ হাজার ৪৮৬ টাকা সংগ্রহ করে আত্মসাৎ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে আসামিদের পক্ষ থেকে টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও পরে তারা টাকা পরিশোধ করেননি। সদস্যরা তাদের জমাকৃত টাকা ফেরত না পেয়ে তাকে দায়ী করে বিভিন্নভাবে চাপ ও অপমান করছেন।

গত ২২ মে তিনি সমিতির কার্যালয়ে গিয়ে আসামিদের কাছে গ্রাহকদের টাকা ফেরত চাইলে আসামিরা তাকে হুমকি দিয়ে অফিস থেকে বের করে দেন। টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে তিনি আদালতে মামলা করেছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow