চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার সুয়াবিল ইউনিয়নে চোর সন্দেহে এক যুবককে গাছের সঙ্গে বেঁধে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে ভূজপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সুয়াবিল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মইনুদ্দিনের বাড়ির উঠানে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে চুরির সন্দেহে ওই যুবককে আটক করে স্থানীয়রা। এরপর তাকে মইনুদ্দিনের বাড়ির উঠানে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাতভর গণপিটুনি দেওয়া হয়। প্রচণ্ড মারধরের একপর্যায়ে যুবকটি নিস্তেজ হয়ে পড়ে এবং সকালেই তার মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। দুপুরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার নিথর দেহ উদ্ধার করে।
ভূজপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চোর সন্দেহে স্থানীয় লোকজনের গণপিটুনিতে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
ওসি আরও জানান, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে দ
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার সুয়াবিল ইউনিয়নে চোর সন্দেহে এক যুবককে গাছের সঙ্গে বেঁধে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে ভূজপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সুয়াবিল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মইনুদ্দিনের বাড়ির উঠানে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে চুরির সন্দেহে ওই যুবককে আটক করে স্থানীয়রা। এরপর তাকে মইনুদ্দিনের বাড়ির উঠানে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাতভর গণপিটুনি দেওয়া হয়। প্রচণ্ড মারধরের একপর্যায়ে যুবকটি নিস্তেজ হয়ে পড়ে এবং সকালেই তার মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। দুপুরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার নিথর দেহ উদ্ধার করে।
ভূজপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চোর সন্দেহে স্থানীয় লোকজনের গণপিটুনিতে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
ওসি আরও জানান, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।