‘ছাত্রলীগের শূন্যতা পূরণে ছাত্রদলকে প্রতিস্থাপনে বিভিন্ন পক্ষকে ব্যবহার করা হচ্ছে’

ছাত্রলীগের শূন্যতা পূরণে দেশের ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্রদলকে প্রতিস্থাপিত করার জন্য বিভিন্ন পক্ষকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।  এর আগে বেলা ১১টায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের চলমান আন্দোলনের কর্মসূচি নির্ধারণের লক্ষ্যে লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষাঙ্গণে নৈরাজ্য, সন্ত্রাস, দখলের অশুভ পরিকল্পনা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সংগঠন ৫ আগস্টের আগেই ক্যাম্পাসগুলো মুক্ত করেছিল। এখন সেই ছাত্রলীগের শূন্যতা পূরণে ছাত্রদলকে প্রতিস্থাপিত করার জন্য সরকারের এজেন্সিসহ বিভিন্ন পক্ষকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই অশুভ পাঁয়তারা রুখে দিতে হলে ছাত্রসমাজকে সচেতন ও সজাগ করতে হবে। সেজন্য ১১ দলের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। হামিদুর রহমান আযাদ জানান, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে আগামী ১৬ মে রাজশাহীতে সমাবেশের মধ্য দিয়ে ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ শুরু হবে। এ

‘ছাত্রলীগের শূন্যতা পূরণে ছাত্রদলকে প্রতিস্থাপনে বিভিন্ন পক্ষকে ব্যবহার করা হচ্ছে’

ছাত্রলীগের শূন্যতা পূরণে দেশের ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্রদলকে প্রতিস্থাপিত করার জন্য বিভিন্ন পক্ষকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। 
এর আগে বেলা ১১টায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের চলমান আন্দোলনের কর্মসূচি নির্ধারণের লক্ষ্যে লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষাঙ্গণে নৈরাজ্য, সন্ত্রাস, দখলের অশুভ পরিকল্পনা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সংগঠন ৫ আগস্টের আগেই ক্যাম্পাসগুলো মুক্ত করেছিল। এখন সেই ছাত্রলীগের শূন্যতা পূরণে ছাত্রদলকে প্রতিস্থাপিত করার জন্য সরকারের এজেন্সিসহ বিভিন্ন পক্ষকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই অশুভ পাঁয়তারা রুখে দিতে হলে ছাত্রসমাজকে সচেতন ও সজাগ করতে হবে। সেজন্য ১১ দলের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

হামিদুর রহমান আযাদ জানান, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে আগামী ১৬ মে রাজশাহীতে সমাবেশের মধ্য দিয়ে ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ শুরু হবে। এরপর ১৩ জুন চট্টগ্রাম, ২০ জুন খুলনা, ২৭ জুন ময়মনসিংহ, ১১ জুলাই রংপুর, ১৮ জুলাই বরিশাল এবং ২৫ জুলাই সিলেটে বিভাগীয় সমাবেশ হবে। এসব সমাবেশে সিটি করপোরেশন, বিভাগীয় শহর ও জেলাকে সম্পৃক্ত করা হবে। সর্বশেষ অক্টোবরে ঢাকায় মহাসমাবেশ করা হবে।

১১ দলীয় ঐক্যের কর্মসূচির বাইরে দলগুলো দলীয় ব্যানারে মতবিনিময়, সেমিনার, বিক্ষোভ, সমাবেশসহ আলাদা কর্মসূচি পালন করবে বলে জানান হামিদুর রহমান আযাদ। 

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে মাঠের আন্দোলন চলমান থাকবে। সামনের দিনে সংসদে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের কণ্ঠ এবং রাজপথে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন আরো বেগবান হবে। এই আন্দোলনে দেশবাসীর সমর্থন, সহযোগিতা এবং অংশগ্রহণ কামনা করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান (ইরান), জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধানসহ অনেকে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow