ছাত্রাবাস থেকে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
রাজবাড়ীতে একটি ছাত্রাবাস থেকে ফাহিম (২০) নামে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৮ মে) সকালে রাজবাড়ী পৌর শহরের বিনোদপুর গ্রামের কলেজপাড়া এলাকার সাব্বির ছাত্রাবাস থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ফাহিম রাজবাড়ী সদরের মিজানপুর ইউনিয়নের আবু বক্কর ছিদ্দিকের ছেলে। তিনি রাজবাড়ী সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফাহিমের কক্ষে মোট তিনজন শিক্ষার্থী থাকতেন। অসুস্থজনিত কারণে তারা তিনদিন আগে বাড়িতে চলে যায়। গত তিনদিন ধরে ফাহিম একাই কক্ষে থাকতো। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সন্ধ্যায় ছাত্রাবাসের অন্য কক্ষের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গল্প করে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তার কক্ষে গিয়ে দরজা আটকে দেয়। সকালে তাকে না দেখে ছাত্রাবাসের অন্য শিক্ষার্থীরা ডাকাডাকি করে। এসময় সাড়া না পেয়ে বাড়ির পেছনের বারান্দা দিয়ে উকি দিলে ফ্যানের সঙ্গে ফাহিমের মরদেহ ঝুলতে দেখা যায়। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, নিহত ফাহিমের বাবা পুলিশে চাকরি করেন। ফাহিমও পুলিশের চাকরির জন্য মাঠে
রাজবাড়ীতে একটি ছাত্রাবাস থেকে ফাহিম (২০) নামে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৮ মে) সকালে রাজবাড়ী পৌর শহরের বিনোদপুর গ্রামের কলেজপাড়া এলাকার সাব্বির ছাত্রাবাস থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ফাহিম রাজবাড়ী সদরের মিজানপুর ইউনিয়নের আবু বক্কর ছিদ্দিকের ছেলে। তিনি রাজবাড়ী সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফাহিমের কক্ষে মোট তিনজন শিক্ষার্থী থাকতেন। অসুস্থজনিত কারণে তারা তিনদিন আগে বাড়িতে চলে যায়। গত তিনদিন ধরে ফাহিম একাই কক্ষে থাকতো। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সন্ধ্যায় ছাত্রাবাসের অন্য কক্ষের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গল্প করে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তার কক্ষে গিয়ে দরজা আটকে দেয়। সকালে তাকে না দেখে ছাত্রাবাসের অন্য শিক্ষার্থীরা ডাকাডাকি করে।
এসময় সাড়া না পেয়ে বাড়ির পেছনের বারান্দা দিয়ে উকি দিলে ফ্যানের সঙ্গে ফাহিমের মরদেহ ঝুলতে দেখা যায়। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, নিহত ফাহিমের বাবা পুলিশে চাকরি করেন। ফাহিমও পুলিশের চাকরির জন্য মাঠে দাঁড়াবে বলে তার বাবার কাছে বলে। কিন্তু বাবা তাকে পড়ালেখা চালিয়ে যেতে বলে। ধারণা করা হচ্ছে বাবার ওপর অভিমান করেই সে আত্মহত্যা করেছে।
What's Your Reaction?