স্বামী ঋণের টাকা পরিশোধ না করায় দুই সন্তানের জননীর আত্মহত্যা

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে স্বামী ঋণের টাকা পরিশোধ না করায় দুই সন্তানের জননী আমেনা খাতুন (৩৫) গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানা গেছে। শুক্রবার ভোর রাতে উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের তারাকান্দি এলাকার পাখিমারা গ্রামের নাসির উদ্দিনের পুত্র শিপন মিয়ার সাথে সিরাজগঞ্জ এনায়েতপুর এলাকার জেল হাসানের কন্যা আমেনা খাতুনের বিয়ে হয়। ২০২১ সালে পরিবারের অভাব মেটাতে শিপন মিয়া বিভিন্ন সমিতি থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ ঋণ করে সৌদিআরব যান। দীর্ঘ সময়ে শিপন মিয়া বাড়ীতে ঋণের টাকা পরিশোধ না করে ক্যাসিনোতে জুয়া খেলেন বলে পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন। সমিতির কর্মকর্তারা বারবার ঋণের কিস্তির জন্য তাগাদা দিলে স্ত্রী আমেনা খাতুন বিষয়টি স্বামীকে বললেই মোবাইলে প্রতিনিয়ত কথা কাটাকাটি হতো বলে তার বোন রেহানা জানান। শুক্রবার রাতে বড় কন্যা ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাফিয়া আক্তারকে নিয়ে রাতে ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে ঘুম থেকে উঠে সাফিয়া আক্তার পাশের রুমে মায়ের ঝুলন্তদেহ দেখে চিৎকার করলে এলাকার লোকজন এগিয়ে আসেন। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে সংবাদ দিলে তারা লাশ নামিয়ে সুরতহাল করেন

স্বামী ঋণের টাকা পরিশোধ না করায় দুই সন্তানের জননীর আত্মহত্যা

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে স্বামী ঋণের টাকা পরিশোধ না করায় দুই সন্তানের জননী আমেনা খাতুন (৩৫) গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানা গেছে। শুক্রবার ভোর রাতে উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের তারাকান্দি এলাকার পাখিমারা গ্রামের নাসির উদ্দিনের পুত্র শিপন মিয়ার সাথে সিরাজগঞ্জ এনায়েতপুর এলাকার জেল হাসানের কন্যা আমেনা খাতুনের বিয়ে হয়। ২০২১ সালে পরিবারের অভাব মেটাতে শিপন মিয়া বিভিন্ন সমিতি থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ ঋণ করে সৌদিআরব যান। দীর্ঘ সময়ে শিপন মিয়া বাড়ীতে ঋণের টাকা পরিশোধ না করে ক্যাসিনোতে জুয়া খেলেন বলে পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন। সমিতির কর্মকর্তারা বারবার ঋণের কিস্তির জন্য তাগাদা দিলে স্ত্রী আমেনা খাতুন বিষয়টি স্বামীকে বললেই মোবাইলে প্রতিনিয়ত কথা কাটাকাটি হতো বলে তার বোন রেহানা জানান। শুক্রবার রাতে বড় কন্যা ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাফিয়া আক্তারকে নিয়ে রাতে ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে ঘুম থেকে উঠে সাফিয়া আক্তার পাশের রুমে মায়ের ঝুলন্তদেহ দেখে চিৎকার করলে এলাকার লোকজন এগিয়ে আসেন। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে সংবাদ দিলে তারা লাশ নামিয়ে সুরতহাল করেন। তাদের পুত্র তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী বায়জিদ (শাকিল) রাতে তার দাদির কাছে ছিল বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, সংবাদ পেয়ে তারাকান্দি তদন্ত কেন্দ্রের আইসিসহ পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছেন। লাশের সুরতহাল করে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow