ছেলের দোষে বৃদ্ধ বাবাকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

লালমনিরহাট সদরের পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নে লিবিয়া প্রবাসী ছেলেকে কেন্দ্র করে মো. আব্দুল মোন্নাফ (৬২) নামে এক বৃদ্ধকে মসজিদের সামনে আম গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে সিন্দুরিয়া খামারটারী গ্রামে জুম্মার নামাজ শেষে এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে ভুক্তভোগী বৃদ্ধ লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে একই এলাকার হাসানুর রহমান নামে এক যুবক আব্দুল মোন্নাফের ছেলে মিজানুর রহমানের মাধ্যমে লিবিয়ায় যান। সেখানে হাসানুর কর্মস্থলে সমস্যায় পড়লে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বিবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল মোন্নাফের ওপর চাপ দিয়ে আসছিল। এর জেরে শুক্রবার মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় অভিযুক্তরা তাকে ঘেরাও করে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে আম গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন চালায়। এ সময় তার কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। এসময় তাকে বাঁচাতে ভাতিজা মিঠু মিয়া এগিয়ে এলে তাকেও আহত করা হয়। স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিলে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ১২ জনকে অভিযুক্ত করে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। লালমনিরহাট সদ

ছেলের দোষে বৃদ্ধ বাবাকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

লালমনিরহাট সদরের পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নে লিবিয়া প্রবাসী ছেলেকে কেন্দ্র করে মো. আব্দুল মোন্নাফ (৬২) নামে এক বৃদ্ধকে মসজিদের সামনে আম গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে সিন্দুরিয়া খামারটারী গ্রামে জুম্মার নামাজ শেষে এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে ভুক্তভোগী বৃদ্ধ লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে একই এলাকার হাসানুর রহমান নামে এক যুবক আব্দুল মোন্নাফের ছেলে মিজানুর রহমানের মাধ্যমে লিবিয়ায় যান। সেখানে হাসানুর কর্মস্থলে সমস্যায় পড়লে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বিবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল মোন্নাফের ওপর চাপ দিয়ে আসছিল। এর জেরে শুক্রবার মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় অভিযুক্তরা তাকে ঘেরাও করে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে আম গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন চালায়। এ সময় তার কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে।

এসময় তাকে বাঁচাতে ভাতিজা মিঠু মিয়া এগিয়ে এলে তাকেও আহত করা হয়। স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিলে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ১২ জনকে অভিযুক্ত করে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাদ আহম্মেদ জানান, পুলিশ লিখিত অভিযোগ পেয়েছে এবং ঘটনার ভিডিওটি সংগ্রহ করেছে। দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মহসীন ইসলাম শাওন/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow