জন্মদিনে কেন কেক কাটেন না জয়া?
দর্শক নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসানের জন্মদিন আজ। একসময় জন্মদিনে কেক কেটে উদযাপন করলেও কয়েক বছর ধরে এই দিনে আর কেক কাটেন না জয়া আহসান। ২০১৭ সালের হোলি আর্টিজান হামলার পর থেকেই জন্মদিনের সেই আয়োজন বন্ধ করে দেন তিনি। তবে শুভাকাঙ্ক্ষীদের পাঠানো কেকের বেশির ভাগই বিল্ডিংয়ের নিরাপত্তাকর্মী ও আশপাশের মানুষের মধ্যে বিতরণ করেন। শুধু তাই নয়, বহু বছর ধরে নিজের জন্মদিনে রাস্তার কুকুরদেরও খাবার খাওয়ান জয়া। শুধু নিজের নয়, পরিবারের যে কারও জন্মদিনেই এই কাজটি করেন তিনি।
দুই বাংলার দর্শকদের হৃদয়ে সমানভাবে রাজত্ব করছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান। অভিনয়ের পাশাপাশি সাধারণ জীবনযাপন আর ব্যক্তিত্বের জন্যও তিনি অনুরাগীদের কাছে অনন্য। আজ এই গুণী অভিনেত্রীর জন্মদিন। বয়সকে যেন প্রতিনিয়ত হার মানিয়ে, দশকের পর দশক ধরে নিজের রূপ, লাবণ্য ও অভিনয়গুণে দর্শকের ভালোবাসা কুড়িয়ে চলেছেন তিনি।
গোপালগঞ্জে জন্ম নেওয়া জয়া আহসানের বাবা ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা এ এস মাসউদ এবং মা রেহানা মাসউদ ছিলেন একজন শিক্ষিকা। ছোটবেলা থেকেই নাচ, গান ও চিত্রাঙ্কনের প্রতি তার ছিল প্রবল আগ্রহ। অভিনয়ে আসার আগে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যু
দর্শক নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসানের জন্মদিন আজ। একসময় জন্মদিনে কেক কেটে উদযাপন করলেও কয়েক বছর ধরে এই দিনে আর কেক কাটেন না জয়া আহসান। ২০১৭ সালের হোলি আর্টিজান হামলার পর থেকেই জন্মদিনের সেই আয়োজন বন্ধ করে দেন তিনি। তবে শুভাকাঙ্ক্ষীদের পাঠানো কেকের বেশির ভাগই বিল্ডিংয়ের নিরাপত্তাকর্মী ও আশপাশের মানুষের মধ্যে বিতরণ করেন। শুধু তাই নয়, বহু বছর ধরে নিজের জন্মদিনে রাস্তার কুকুরদেরও খাবার খাওয়ান জয়া। শুধু নিজের নয়, পরিবারের যে কারও জন্মদিনেই এই কাজটি করেন তিনি।
দুই বাংলার দর্শকদের হৃদয়ে সমানভাবে রাজত্ব করছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান। অভিনয়ের পাশাপাশি সাধারণ জীবনযাপন আর ব্যক্তিত্বের জন্যও তিনি অনুরাগীদের কাছে অনন্য। আজ এই গুণী অভিনেত্রীর জন্মদিন। বয়সকে যেন প্রতিনিয়ত হার মানিয়ে, দশকের পর দশক ধরে নিজের রূপ, লাবণ্য ও অভিনয়গুণে দর্শকের ভালোবাসা কুড়িয়ে চলেছেন তিনি।
গোপালগঞ্জে জন্ম নেওয়া জয়া আহসানের বাবা ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা এ এস মাসউদ এবং মা রেহানা মাসউদ ছিলেন একজন শিক্ষিকা। ছোটবেলা থেকেই নাচ, গান ও চিত্রাঙ্কনের প্রতি তার ছিল প্রবল আগ্রহ। অভিনয়ে আসার আগে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন তিনি। পাশাপাশি একটি সংগীত স্কুলও পরিচালনা করেন।ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৯৮ সালে মডেল ও অভিনেতা ফয়সাল আহসানকে বিয়ে করেছিলেন জয়া। ২০১১ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তবে ব্যক্তিগত জীবনের নানা চড়াই-উতরাই কখনোই তার পেশাদার জীবনের পথচলাকে থামিয়ে রাখতে পারেনি। বরং প্রতিটি চরিত্রে নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করে আরও পরিণত অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন তিনি।
২০০৪ সালে 'ব্যাচেলর' সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হলেও, 'গেরিলা' সিনেমাতে বিলকিস বানু চরিত্রে অভিনয় তাকে এনে দেয় ব্যাপক প্রশংসা ও জাতীয় স্বীকৃতি। ২০১৩ সালে বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ কান চলচ্চিত্র উৎসবে আমন্ত্রণ পান জয়া আহসান। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সক্রিয়। এনেছি সূর্যের হাসি ধারাবাহিকে অভিনয়ের পর জাতিসংঘের নারী ও শিশু সহায়তা বিভাগের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অভিনয়ের প্রতি নিষ্ঠা, চরিত্রের গভীরে প্রবেশ করার অসাধারণ ক্ষমতা এবং সময়ের সঙ্গে নিজেকে নিরন্তর ভেঙে গড়ার মানসিকতার কারণেই জয়া আহসান আজ শুধু একজন সফল অভিনেত্রী নন; তিনি দুই বাংলার চলচ্চিত্রাঙ্গনের অন্যতম উজ্জ্বল মুখ। অভিনয়জীবনে তিনি পাঁচটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, তিনটি ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডসসহ বহু পুরস্কারে ভূষিত হন। জনপ্রিয়তা, সাফল্য ও শিল্পসত্তার অনন্য সমন্বয়ে জয়া আহসান আজও সমানভাবে মুগ্ধ করে চলেছেন দর্শকদের।