জবিতে সাংবাদিকসহ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার সম্পৃক্ততার অভিযোগ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নাট্যকলা বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী অর্ঘ্যশ্রেষ্ঠ দাস এবং মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী চন্দন কুমার দাসের নেতৃত্বে বহিরাগত নিয়ে জবি রিপোর্টার্স ইউনিটির এক সাংবাদিকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীর ওপর পরিকল্পিত হামলার অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, তারা নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের জবি শাখার সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেনের সাথে রাজনীতি করতেন।শুক্রবার (২৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরে অনুষ্ঠিত সাধারণসভা চলাকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে।প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সভার একপর্যায়ে অর্ঘ্যশ্রেষ্ঠ দাস একটি অপ্রাসঙ্গিক বিষয় উত্থাপন করলে তা নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তিনি ও চন্দন কুমার দাস তাদের সঙ্গে থাকা কয়েকজন বহিরাগত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯তম ব্যাচের তিন শিক্ষার্থীকে উপস্থিত সাংবাদিক অপূর্ব রায়ের ওপর হামলার নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।অভিযুক্ত তিন শিক্ষার্থী হলেন—প্রত্যয় চৌধুরী, শুভ নাথ ও প্রান্ত। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রত্যয় প্রথমে জবি রিপোর্টার্স ইউনিটিতে কর্মরত দৈনিক নাগরিক ভাবনা'র সাংবাদিক অপূর্ব রায়ের

জবিতে সাংবাদিকসহ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার সম্পৃক্ততার অভিযোগ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নাট্যকলা বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী অর্ঘ্যশ্রেষ্ঠ দাস এবং মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী চন্দন কুমার দাসের নেতৃত্বে বহিরাগত নিয়ে জবি রিপোর্টার্স ইউনিটির এক সাংবাদিকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীর ওপর পরিকল্পিত হামলার অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, তারা নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের জবি শাখার সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেনের সাথে রাজনীতি করতেন।

শুক্রবার (২৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরে অনুষ্ঠিত সাধারণসভা চলাকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সভার একপর্যায়ে অর্ঘ্যশ্রেষ্ঠ দাস একটি অপ্রাসঙ্গিক বিষয় উত্থাপন করলে তা নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তিনি ও চন্দন কুমার দাস তাদের সঙ্গে থাকা কয়েকজন বহিরাগত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯তম ব্যাচের তিন শিক্ষার্থীকে উপস্থিত সাংবাদিক অপূর্ব রায়ের ওপর হামলার নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযুক্ত তিন শিক্ষার্থী হলেন—প্রত্যয় চৌধুরী, শুভ নাথ ও প্রান্ত। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রত্যয় প্রথমে জবি রিপোর্টার্স ইউনিটিতে কর্মরত দৈনিক নাগরিক ভাবনা'র সাংবাদিক অপূর্ব রায়ের ওপর চড়াও হয়ে তাকে থাপ্পড় মারেন। এরপর শুভ ও প্রান্ত দেশীয় অস্ত্র, বাঁশ হাতে নিয়ে হামলার চেষ্টা করেন।

এসময় উপস্থিত কয়েকজন শিক্ষার্থী বাধা দিতে গেলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। হামলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্র ফোরামের সদস্য সচিব জয় সাহা আহত হন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টোরিয়াল বডির উপস্থিতিতে আহত সাংবাদিক অপূর্ব রায়কে নিরাপদে তার বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. নঈম সিদ্দিকী জানান, “আহত শিক্ষার্থীকে আমি নিজ দায়িত্বে বাসায় পৌঁছে দিয়েছি। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আহত সাংবাদিক অপূর্ব রায় বলেন, “পূর্বের একটি ঘটনার জের ধরে কেন্দ্রীয় মন্দিরের সভা চলাকালে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়। অর্ঘ্যশ্রেষ্ঠ দাস ও চন্দন দাসের সঙ্গে থাকা প্রত্যয় আমার গায়ে হাত তোলে এবং শুভ বাঁশ নিয়ে আমাকে আক্রমণ করতে আসে।”

উল্লেখ্য, এর আগেও বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছিল অর্ঘ্যশ্রেষ্ঠ দাস ও চন্দন কুমার দাসের বিরুদ্ধে। সেসব অভিযোগেরও যথাযথ তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow