জাতীয় পাবলিক টয়লেট নীতিমালার খসড়া অনুমোদন
‘জাতীয় পাবলিক টয়লেট নীতিমালা ২০২৬’–এর খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীসভার সপ্তম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে ‘জাতীয় পাবলিক টয়লেট নীতিমালা-২০২৬’ এর খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। বিষয়টির উদ্যোক্তা স্থানীয় সরকার বিভাগ। এই নীতিমালার প্রধান উদ্দেশ্য পাবলিক টয়লেট ব্যবহার, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। এছাড়া সারাদেশে স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত পাবলিক টয়লেট সুবিধার সহজলভ্যতা নিশ্চিত করে জনস্বাস্থ্য এবং সার্বিক পরিচ্ছন্নতার মান উন্নত করা। নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, বয়স্ক, ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যবহারবান্ধব টয়লেট সুবিধা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি পাবলিক টয়লেট ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা ও স্থায়িত্বের জন্য কার্যকর ব্যবস্থাপনা মডেল এবং অর্থায়ন নিশ্চিত করা। নীতিমালার বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ, মূল্যায়ন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এটিকে যুগোপযোগী করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথাও নীতিমালায় ব
‘জাতীয় পাবলিক টয়লেট নীতিমালা ২০২৬’–এর খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীসভার সপ্তম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে ‘জাতীয় পাবলিক টয়লেট নীতিমালা-২০২৬’ এর খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। বিষয়টির উদ্যোক্তা স্থানীয় সরকার বিভাগ। এই নীতিমালার প্রধান উদ্দেশ্য পাবলিক টয়লেট ব্যবহার, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
এছাড়া সারাদেশে স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত পাবলিক টয়লেট সুবিধার সহজলভ্যতা নিশ্চিত করে জনস্বাস্থ্য এবং সার্বিক পরিচ্ছন্নতার মান উন্নত করা। নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, বয়স্ক, ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যবহারবান্ধব টয়লেট সুবিধা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি পাবলিক টয়লেট ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা ও স্থায়িত্বের জন্য কার্যকর ব্যবস্থাপনা মডেল এবং অর্থায়ন নিশ্চিত করা।
নীতিমালার বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ, মূল্যায়ন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এটিকে যুগোপযোগী করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথাও নীতিমালায় বলা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহার-বিধি সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবে। ভৌত অবকাঠামো সংক্রান্ত উন্নয়ন প্রকল্পসমূহে নারীদের জন্য পৃথক টয়লেট নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
এছাড়া নীতিমালায় টয়লেট বর্জ্য সংরক্ষণে সেফটি ট্যাংক নির্মাণ আবশ্যক করা হয়েছে। যাতে কোনোভাবেই টয়লেটের বর্জ্যসমূহ নদী, খাল-বিলসহ অন্যান্য জলাশয়ে পতিত হয়ে পানি দূষণ ঘটাতে না পারে। টয়লেট ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
এছাড়া স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ সমন্বিতভাবে সড়ক ও মহাসড়কের উপযুক্ত স্থানে নারী ও পুরুষের জন্য আলাদা পাবলিক টয়লেট স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করবে। নীতিমালাটি বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ভিত্তিক সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। জাতীয় পাবলিক টয়লেট নীতিমালা ২০২৬-এর খসড়ায় এসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে খসড়া নীতিমালা মন্ত্রিসভা-বৈঠকে অনুমোদন করা হয়েছে।
What's Your Reaction?