জামায়াতের যে বক্তব্যকে অহংকারের নমুনা বললেন বিএনপি নেতা
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের কিছু নেতার দাবি যে, ঢাকার কোনো আসন তারা কাউকে দেবে না, যা অহংকারের নিদর্শন। তিনি বলেন, আল্লাহ কারও দম্ভ ও অহংকার পছন্দ করেন না। এগুলো বোধ হয় তাদের কর্মীদের সাহস দেওয়ার জন্য বলা হয়। কিন্তু এমন কিছু বলা উচিত না, যেটা তাদের ইমানকে পর্যন্ত পরীক্ষায় ফেলে দেয়। রোববার (২৫ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। নজরুল ইসলাম খান বলেন, ঢাকার আসন দেওয়ার মালিক আল্লাহ। নির্বাচন অনিশ্চিত প্রক্রিয়া, যেখানে জনগণ যাকে সমর্থন করবে, আল্লাহও তাকে বিজয়ী বানাবেন। তিনি বলেন, “বিএনপি কখনো বলেনি যে অন্য কাউকে কোনো আসন দেওয়া হবে না। জীবনে ঢাকা মহানগর তো দূরের কথা, আশপাশের কোনো আসনও আমরা কখনো পাইনি। এটি কি অহংকার নয়?’ তিনি দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বলেন, সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশে জন্মসূত্রে জন্মগ্রহণকারী কেউ যদি অন্য দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করে তা পরিত্যাগ করে, তবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় কোনো বাধা নেই। পোস্টাল ব্যালটে ধানের শীষ প্রতীকের বিষয়ে ন
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের কিছু নেতার দাবি যে, ঢাকার কোনো আসন তারা কাউকে দেবে না, যা অহংকারের নিদর্শন। তিনি বলেন, আল্লাহ কারও দম্ভ ও অহংকার পছন্দ করেন না। এগুলো বোধ হয় তাদের কর্মীদের সাহস দেওয়ার জন্য বলা হয়। কিন্তু এমন কিছু বলা উচিত না, যেটা তাদের ইমানকে পর্যন্ত পরীক্ষায় ফেলে দেয়।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ঢাকার আসন দেওয়ার মালিক আল্লাহ। নির্বাচন অনিশ্চিত প্রক্রিয়া, যেখানে জনগণ যাকে সমর্থন করবে, আল্লাহও তাকে বিজয়ী বানাবেন। তিনি বলেন, “বিএনপি কখনো বলেনি যে অন্য কাউকে কোনো আসন দেওয়া হবে না। জীবনে ঢাকা মহানগর তো দূরের কথা, আশপাশের কোনো আসনও আমরা কখনো পাইনি। এটি কি অহংকার নয়?’
তিনি দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বলেন, সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশে জন্মসূত্রে জন্মগ্রহণকারী কেউ যদি অন্য দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করে তা পরিত্যাগ করে, তবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় কোনো বাধা নেই।
পোস্টাল ব্যালটে ধানের শীষ প্রতীকের বিষয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, শুরুর দিকে দাঁড়িপাল্লা, শাপলা কলি ও হাতপাখা প্রতীক ছিল। ধানের শীষ পরে এসেছে। ব্যালট পেপার ভাঁজ করলে প্রতীকটি পড়ে যায়। আমরা বিষয়টি নির্বাচন কমিশনে জানিয়েছি। তারা বলেছে, অফিসের লোকেরা এটি করেছে, আমরা আগে বুঝতে পারিনি।
তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়নের পথে জনগণের আস্থা গুরুত্বপূর্ণ। জিয়া পরিবার, জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া এবং এখন তারেক রহমান— সবসময় মানুষ তাদের উপর আস্থা রেখেছে। এবারও সেই আস্থা প্রমাণ করতে হবে।
What's Your Reaction?