জার্সি পরা মিঠুন সাহার ছবিটি এআই জেনারেটেড
আর্জেন্টিনার জার্সি পরা অ্যাডভোকেট মিঠুন সাহার ভাইরাল ছবিটি আসল নয়। এটি মূলত এআই জেনারেটেড। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সভিত্তিক ছবি শনাক্তকারী টুলস এআই ইমেজ ডিটেকটরের তথ্য অনুযায়ী, ছবিটি এআই জেনারেটেড হওয়ার সম্ভাবনা ৯৭ শতাংশ।
মিঠুন সাহা সম্প্রতি ফেসবুকে ‘মজার ছলে’ একটি পোস্ট দেন। সেখানে লেখেন, ‘আর্জেন্টিনার জার্সি পরে চেম্বারে এলে ফি অর্ধেক।’
পোস্টটি ভাইরাল হলে স্থানীয় কয়েকটি গণমাধ্যমের পাশাপাশি কালবেলা অনলাইনেও খবর প্রকাশ করা হয়। কালবেলার দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি মো. রাজিবুল ইসলাম খবরটির সঙ্গে একটি ছবি যুক্ত করেন। সেই ছবিতে তাকে আর্জেন্টিনার জার্সি পরা দেখা যায়। ছবিটি মূলত পোস্টটিতে কমেন্টের সঙ্গে জুড়ে দেন অন্য এক ফেসবুক ব্যবহারকারী। দুমকি প্রতিনিধি ছবিটি এআই জেনারেটেড বলে বুঝতে পারার তথ্য দিলে নিউজটি সরিয়ে নেয় কালবেলা অনলাইন।
এরপর এআই ইমেজ ডিটেকটরেও ছবিটি এআই জেনারেটেড হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। টুলসটির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ছবিটি এআই জেনারেটেড হওয়ার সম্ভাবনা ৯৭ শতাংশ।
ছবিটি যে এআই জেনারেটেড, সেটি মিঠুন সাহার হাতের আঙুল দেখলেও বোঝা যায়। ছবিটিতে তার বাঁ হাতের আঙুলে অস্বাভাবিকতা দৃশ্যমান।
আর্জেন্টিনার জার্সি পরা অ্যাডভোকেট মিঠুন সাহার ভাইরাল ছবিটি আসল নয়। এটি মূলত এআই জেনারেটেড। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সভিত্তিক ছবি শনাক্তকারী টুলস এআই ইমেজ ডিটেকটরের তথ্য অনুযায়ী, ছবিটি এআই জেনারেটেড হওয়ার সম্ভাবনা ৯৭ শতাংশ।
মিঠুন সাহা সম্প্রতি ফেসবুকে ‘মজার ছলে’ একটি পোস্ট দেন। সেখানে লেখেন, ‘আর্জেন্টিনার জার্সি পরে চেম্বারে এলে ফি অর্ধেক।’
পোস্টটি ভাইরাল হলে স্থানীয় কয়েকটি গণমাধ্যমের পাশাপাশি কালবেলা অনলাইনেও খবর প্রকাশ করা হয়। কালবেলার দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি মো. রাজিবুল ইসলাম খবরটির সঙ্গে একটি ছবি যুক্ত করেন। সেই ছবিতে তাকে আর্জেন্টিনার জার্সি পরা দেখা যায়। ছবিটি মূলত পোস্টটিতে কমেন্টের সঙ্গে জুড়ে দেন অন্য এক ফেসবুক ব্যবহারকারী। দুমকি প্রতিনিধি ছবিটি এআই জেনারেটেড বলে বুঝতে পারার তথ্য দিলে নিউজটি সরিয়ে নেয় কালবেলা অনলাইন।
এরপর এআই ইমেজ ডিটেকটরেও ছবিটি এআই জেনারেটেড হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। টুলসটির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ছবিটি এআই জেনারেটেড হওয়ার সম্ভাবনা ৯৭ শতাংশ।
ছবিটি যে এআই জেনারেটেড, সেটি মিঠুন সাহার হাতের আঙুল দেখলেও বোঝা যায়। ছবিটিতে তার বাঁ হাতের আঙুলে অস্বাভাবিকতা দৃশ্যমান।
স্ট্যাটাসটি ভাইরাল হওয়ার পর মিঠুন সাহাকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে তিনি স্ট্যাটাসটি সরিয়ে নেন।
স্ট্যাটাসের বিষয়ে মিঠুন সাহা কালবেলা অনলাইনকে রোববার (৭ জুন) বলেন, ‘আমি আসলে মজা করে লিখেছিলাম। নিচে যেখানে অথর কমেন্টে লেখা যায়, সেখানেও আমি লিখেছিলাম যে এটা মজা করে লিখেছি। উদ্দেশ্য ছিল ব্রাজিল সমর্থকদের খোঁচা মারা। কিন্তু অনেকেই মজার বিষয়টি বুঝতে না পারায় আমি পোস্ট ডিলিট করি।’