জালালি কবুতর খাওয়া কি জায়েজ?

সুরমা রঙের বিশেষ প্রজাতির কবুতর (বৈজ্ঞানিক নাম: Columba livia, ইংরেজিতে রক ডাভ বা রক পিজিয়ন) আমাদের দেশে প্রখ্যাত দরবেশ হজরত শাহ জালালের (রহ.) নামের সঙ্গে যুক্ত করে ‘জালালি কবুতর’ বা ‘জালালি কৈতর’ নামে পরিচিত। এর কারণ হলো, জনশ্রুতি রয়েছে, ১৩০৩ সালে (৭০৩ হিজরি) হজরত শাহ জালাল (রহ.) সিলেটে আসার পথে দিল্লির খাজা নিজামুদ্দীন আউলিয়ার (রহ.) সঙ্গে সাক্ষাত করেছিলেন। বিদায় নেওয়ার সময় প্রীতির নিদর্শন স্বরূপ নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.) হজরত শাহ জালালকে এক জোড়া সুরমা রঙের কবুতর উপহার দেন। এই কবুতর নিয়েই তিনি তৎকালীন আসামের অন্তর্ভুক্ত সিলেটে (শ্রীহট্ট) আসেন এবং সিলেট জয় করার সেই কবুতরজোড়া তিনি উড়িয়ে দেন। সেই থেকে সিলেটে এই কবুতরের ব্যাপকতা দেখা যায়। (সূত্র: উইকিপিডিয়া) এই জনশ্রুতি এবং হজরত শাহ জালালের (রহ.) নামের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ার কারণে অনেকেই মনে করেন এই বিশেষ প্রজাতির কবুতর খাওয়া জায়েজ নয় এবং এই কবুতর খেলে গুনাহ হবে বা ক্ষতি হবে। কিন্তু শরিয়তের দৃষ্টিতে জালালি কবুতর খাওয়া নিষিদ্ধ নয়। অন্যান্য কবুতরের মত জালালি কবুতরও একটি হালাল পাখি এবং খাওয়া জায়েজ। এই প্রজাতির কবুতর খেলে গুনাহ হবে না ব

জালালি কবুতর খাওয়া কি জায়েজ?

সুরমা রঙের বিশেষ প্রজাতির কবুতর (বৈজ্ঞানিক নাম: Columba livia, ইংরেজিতে রক ডাভ বা রক পিজিয়ন) আমাদের দেশে প্রখ্যাত দরবেশ হজরত শাহ জালালের (রহ.) নামের সঙ্গে যুক্ত করে ‘জালালি কবুতর’ বা ‘জালালি কৈতর’ নামে পরিচিত।

এর কারণ হলো, জনশ্রুতি রয়েছে, ১৩০৩ সালে (৭০৩ হিজরি) হজরত শাহ জালাল (রহ.) সিলেটে আসার পথে দিল্লির খাজা নিজামুদ্দীন আউলিয়ার (রহ.) সঙ্গে সাক্ষাত করেছিলেন। বিদায় নেওয়ার সময় প্রীতির নিদর্শন স্বরূপ নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.) হজরত শাহ জালালকে এক জোড়া সুরমা রঙের কবুতর উপহার দেন। এই কবুতর নিয়েই তিনি তৎকালীন আসামের অন্তর্ভুক্ত সিলেটে (শ্রীহট্ট) আসেন এবং সিলেট জয় করার সেই কবুতরজোড়া তিনি উড়িয়ে দেন। সেই থেকে সিলেটে এই কবুতরের ব্যাপকতা দেখা যায়। (সূত্র: উইকিপিডিয়া)

জালালি কবুতর

এই জনশ্রুতি এবং হজরত শাহ জালালের (রহ.) নামের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ার কারণে অনেকেই মনে করেন এই বিশেষ প্রজাতির কবুতর খাওয়া জায়েজ নয় এবং এই কবুতর খেলে গুনাহ হবে বা ক্ষতি হবে।

কিন্তু শরিয়তের দৃষ্টিতে জালালি কবুতর খাওয়া নিষিদ্ধ নয়। অন্যান্য কবুতরের মত জালালি কবুতরও একটি হালাল পাখি এবং খাওয়া জায়েজ। এই প্রজাতির কবুতর খেলে গুনাহ হবে না বা কোনো ক্ষতি হওয়ারও সম্ভাবনা নেই।

উপরোক্ত জনশ্রুতি যদি সত্য হয়, এই প্রজাতির কবুতর যদি হজরত শাহ জালালের (রহ.) মাধ্যমে সিলেটে বা বাংলাদেশে এসে থাকে, তবুও এই প্রজাতির কবুতর খাওয়া নিষিদ্ধ বা হারাম হওয়ার কোনো কারণ নেই।

ওএফএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow