জুলাই-আগস্টের বিচারে ধীরগতি, আলামত নষ্ট হতে পারে : শিশির মনির
জুলাই-আগস্টের ঘটনাসংক্রান্ত মামলাগুলোর বিচার কার্যক্রম বর্তমানে ধীরগতির হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এভাবে চলতে থাকলে মামলার আলামত নষ্ট হতে পারে। শনিবার সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টাস ফোরাম (এসআরএফ) আয়োজিত বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। শিশির মনির বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের ঘটনাসংক্রান্ত মামলাগুলোর বিচার কার্যক্রম বর্তমানে ধীরগতির হয়ে পড়েছে। এ অবস্থা দীর্ঘায়িত হলে গুরুত্বপূর্ণ আলামত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেয়া উচিত। ’ তিনি বলেন, ‘রামিসার বিচার যদি দ্রুত সম্পন্ন হয়ে থাকে, তাহলে এটিই প্রমাণ করে যে রাষ্ট্রের দ্রুতবিচার পরিচালনার সক্ষমতা রয়েছে। একই ধরনের গুরুত্ব দিয়ে অন্যান্য আলোচিত মামলাও দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব।’ দেশে বিচারাধীন বিপুলসংখ্যক মৃত্যুদণ্ডের মামলার প্রসঙ্গ তুলে জ্যেষ্ঠ এই আইনজীবী বলেন, বর্তমানে প্রায় সাড়ে ১২০০ মৃত্যুদণ্ডের মামলা ঝুলে আছে। এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ আদালত (স্পেশাল কোর্ট) গঠনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। ’ বিচার ব্যবস্থার
জুলাই-আগস্টের ঘটনাসংক্রান্ত মামলাগুলোর বিচার কার্যক্রম বর্তমানে ধীরগতির হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এভাবে চলতে থাকলে মামলার আলামত নষ্ট হতে পারে।
শনিবার সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টাস ফোরাম (এসআরএফ) আয়োজিত বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
শিশির মনির বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের ঘটনাসংক্রান্ত মামলাগুলোর বিচার কার্যক্রম বর্তমানে ধীরগতির হয়ে পড়েছে। এ অবস্থা দীর্ঘায়িত হলে গুরুত্বপূর্ণ আলামত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেয়া উচিত। ’
তিনি বলেন, ‘রামিসার বিচার যদি দ্রুত সম্পন্ন হয়ে থাকে, তাহলে এটিই প্রমাণ করে যে রাষ্ট্রের দ্রুতবিচার পরিচালনার সক্ষমতা রয়েছে। একই ধরনের গুরুত্ব দিয়ে অন্যান্য আলোচিত মামলাও দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব।’
দেশে বিচারাধীন বিপুলসংখ্যক মৃত্যুদণ্ডের মামলার প্রসঙ্গ তুলে জ্যেষ্ঠ এই আইনজীবী বলেন, বর্তমানে প্রায় সাড়ে ১২০০ মৃত্যুদণ্ডের মামলা ঝুলে আছে। এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ আদালত (স্পেশাল কোর্ট) গঠনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। ’
বিচার ব্যবস্থার সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করে শিশির মনির বলেন, ‘বিচার অঙ্গনে বড় ধরনের পরিবর্তন না এলে মানুষের মধ্যে হতাশা তৈরি হবে। বিচারপ্রত্যাশী মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর সংস্কার ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ওপর বর্তমানে প্রায় ৭ হাজার ৪৪০টি মামলার ভার রয়েছে, যা কোনো মানুষের পক্ষেই স্বাভাবিক উপায়ে নিষ্পত্তি করা সম্ভব নয়। ’
ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নজির টেনে তিনি বলেন, ‘সেখানে বিশেষ গাইডলাইন অনুসরণ করে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের পুনরায় বিচারকাজে যুক্ত করা হয়েছে, যা মামলা নিষ্পত্তিতে গতি এনেছে। ’
এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেলের ওপর আস্থা রেখে এই আইনজীবী বলেন, ‘দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল একজন সৃজনশীল ও দক্ষ নেতৃত্ব। তিনি চাইলে বিদ্যমান আইন ও নজির ব্যবহার করে বিচারব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারেন।’
সুপ্রিম কোর্টের এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আরও বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টে সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার কারণে বিচার বিভাগের সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদের একটি মানসিক দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। ’
তিনি মনে করেন, বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও জনআস্থার স্বার্থে আদালত ও সাংবাদিকদের মধ্যে যোগাযোগের পরিবেশ বজায় রাখা প্রয়োজন।
What's Your Reaction?