জেলের জালে ৫৪ কেজির তবল, বিক্রি ৩৬ হাজারে

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে জেলের জালে ধরা পড়েছে প্রায় দেড় মণ (৫৪ কেজি) ওজনের একটি বিরল আকৃতির তবল মাছ। মাছটি মহিপুর মৎস্য বন্দরে আনা হলে নিলামের মাধ্যমে ৩৬ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে মাছটি মহিপুর মৎস্য বন্দরে আনা হলে সেটি দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়। সূত্র জানায়, এফবি সালমা করিম নামের একটি মাছ ধরার ট্রলারের জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে মহিপুর মৎস্য বন্দরে নিয়ে আসলে আখি ফিশ ও তহুরা ফিশ নামে দুইটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে খোলা নিলামে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী রুবেল ঘরামী মাছটি ৩৬ হাজার টাকায় কিনে নেন। এতে প্রতি কেজির দাম দাঁড়ায় প্রায় ৬৬৬ টাকা। আরও পড়ুন সেন্টমার্টিনে জেলের জালে ধরা পড়লো ৬৮৭ লাল কোরাল, ১০ লাখে বিক্রি স্থানীয়ভাবে তবল মাছ ট্রেভ্যালি (Trevally) নামে পরিচিত। কুয়াকাটা অঞ্চলে এটি তবলি, বগা কিংবা খাঁদিয়া নামেও পরিচিত। সুস্বাদু, প্রোটিনসমৃদ্ধ এবং তুলনামূলক কম কাঁটাযুক্ত হওয়ায় ভোক্তাদের কাছে এ মাছের চাহিদা বেশ ভালো। মৎস্যজীবীরা জানান, বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে এ প্রজাতির মাছ পাওয়া গেলেও এত বড় আকারের তবল মাছ খুব কমই ধরা পড়ে। তাই মাছটি

জেলের জালে ৫৪ কেজির তবল, বিক্রি ৩৬ হাজারে

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে জেলের জালে ধরা পড়েছে প্রায় দেড় মণ (৫৪ কেজি) ওজনের একটি বিরল আকৃতির তবল মাছ। মাছটি মহিপুর মৎস্য বন্দরে আনা হলে নিলামের মাধ্যমে ৩৬ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে মাছটি মহিপুর মৎস্য বন্দরে আনা হলে সেটি দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়।

সূত্র জানায়, এফবি সালমা করিম নামের একটি মাছ ধরার ট্রলারের জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে মহিপুর মৎস্য বন্দরে নিয়ে আসলে আখি ফিশ ও তহুরা ফিশ নামে দুইটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে খোলা নিলামে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী রুবেল ঘরামী মাছটি ৩৬ হাজার টাকায় কিনে নেন। এতে প্রতি কেজির দাম দাঁড়ায় প্রায় ৬৬৬ টাকা।

স্থানীয়ভাবে তবল মাছ ট্রেভ্যালি (Trevally) নামে পরিচিত। কুয়াকাটা অঞ্চলে এটি তবলি, বগা কিংবা খাঁদিয়া নামেও পরিচিত। সুস্বাদু, প্রোটিনসমৃদ্ধ এবং তুলনামূলক কম কাঁটাযুক্ত হওয়ায় ভোক্তাদের কাছে এ মাছের চাহিদা বেশ ভালো।

মৎস্যজীবীরা জানান, বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে এ প্রজাতির মাছ পাওয়া গেলেও এত বড় আকারের তবল মাছ খুব কমই ধরা পড়ে। তাই মাছটি বন্দরে আনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও আগ্রহের সৃষ্টি হয়।

ডাব্লিউসিএস (WCS) ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, তবল মাছ ক্যারাঙ্গিডি (Carangidae) পরিবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক মাছ। এ ধরনের বড় আকারের মাছ ধরা পড়া বঙ্গোপসাগরের সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের ইতিবাচক দিক নির্দেশ করে।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ক্যারাঙ্গিডি পরিবারের এই মূল্যবান সামুদ্রিক মাছ আকারে অনেক বড় হয় এবং এর অর্থনৈতিক গুরুত্বও অনেক। ভবিষ্যতে এ ধরনের বড় মাছ আরও বেশি ধরা পড়লে জেলেরা আর্থিকভাবে আরও লাভবান হবেন।

আসাদুজ্জামান মিরাজ/এসজেডএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow