জয়পুরহাটে গ্রামবাসীকে নিয়ে পুশইনের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি
জয়পুরহাট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের দুটি পৃথক পুশইনের চেষ্টা সফলভাবে রুখে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী। সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বর্তমানে সতর্কতাবস্থা জারির পাশাপাশি অতিরিক্ত জনবল ও টহল জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। বিজিবি জানায়, বুধবার রাতে বিএসএফ পুশইনের একটি অনানুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিলে বিজিবি তা নাকচ করে দেয়। একই রাতে সীমান্তে পুশইনের একটি প্রত্যক্ষ চেষ্টা চালানো হয়। তবে বিজিবির কঠোর নজরদারির মুখে সেই চেষ্টাও ব্যর্থ হয়। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতেও সীমান্তের জিরো লাইনে সন্দেহভাজন গতিবিধি নজরে আসে বিজিবির। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় গ্রামবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বিজিবির টহল দল সারারাত সীমান্ত পাহারা দেয়। ফলে অনুপ্রবেশের সব ধরনের চেষ্টা নস্যাৎ হয়ে যায়। ২০ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী বলেন, সাধারণত বিএসএফ প্রথমে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার রুটিন কার্যক্রম শুরু করে এবং পরবর্তীতে পুশইনের চেষ্টা চালায়। তবে কাঁটাতারের বেড়া নির্ম
জয়পুরহাট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের দুটি পৃথক পুশইনের চেষ্টা সফলভাবে রুখে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী।
সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বর্তমানে সতর্কতাবস্থা জারির পাশাপাশি অতিরিক্ত জনবল ও টহল জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বিজিবি জানায়, বুধবার রাতে বিএসএফ পুশইনের একটি অনানুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিলে বিজিবি তা নাকচ করে দেয়। একই রাতে সীমান্তে পুশইনের একটি প্রত্যক্ষ চেষ্টা চালানো হয়। তবে বিজিবির কঠোর নজরদারির মুখে সেই চেষ্টাও ব্যর্থ হয়।
সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতেও সীমান্তের জিরো লাইনে সন্দেহভাজন গতিবিধি নজরে আসে বিজিবির। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় গ্রামবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বিজিবির টহল দল সারারাত সীমান্ত পাহারা দেয়। ফলে অনুপ্রবেশের সব ধরনের চেষ্টা নস্যাৎ হয়ে যায়।
২০ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী বলেন, সাধারণত বিএসএফ প্রথমে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার রুটিন কার্যক্রম শুরু করে এবং পরবর্তীতে পুশইনের চেষ্টা চালায়। তবে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ কিংবা পুশইন কোনোটিই মেনে নেওয়া হয়নি।
তিনি আরও জানান, জয়পুরহাটের হিলি ও কয়া এলাকার মতো কাঁটাতারবিহীন স্পর্শকাতর পয়েন্টগুলোতে বিজিবির সর্বোচ্চ জনবল মোতায়েন করা হয়েছে। অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি এককভাবে নয়, বরং আনসার, ভিডিপি ও গ্রাম রক্ষা পুলিশকে যুক্ত করে সমন্বিতভাবে যৌথ টহল পরিচালনা করছে। সীমান্তে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানোর সুযোগ নেই।
মাহফুজ রহমান/এএইচ/এএসএম
What's Your Reaction?