জয়পুরহাট সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা, বিজিবির বাধা
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে উত্তেজনা যেন থামছেই না, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পর থেকে। জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার পূর্ব উচনা ঘোনাপাড়া সীমান্তে আবারও আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। তবে স্থানীয়দের খবরে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয় বিজিবি।বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার কয়া বিওপির আওতাধীন পূর্ব উচনা ঘোনাপাড়া সীমান্তের ২৮১ নম্বর পিলারের ৪৭ ও ৪৮ সাব পিলারের কাছে শূন্য রেখার কাছাকাছি কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ শুরু করে বিএসএফ সদস্যরা। স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত বিজিবিকে খবর দেয়। পরে বিজিবি ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাধা দিলে বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যদের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। এ ঘটনায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে বুধবার আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে শূন্যরেখার কাছে কাঁটাতারের বেড়া স্থাপনের দফায় দফায় চেষ্টা করে যাচ্ছে বিএসএফ। এতে আতঙ্কিত স্থানীয়রা।বিজিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানি
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে উত্তেজনা যেন থামছেই না, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পর থেকে। জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার পূর্ব উচনা ঘোনাপাড়া সীমান্তে আবারও আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। তবে স্থানীয়দের খবরে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয় বিজিবি।
বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার কয়া বিওপির আওতাধীন পূর্ব উচনা ঘোনাপাড়া সীমান্তের ২৮১ নম্বর পিলারের ৪৭ ও ৪৮ সাব পিলারের কাছে শূন্য রেখার কাছাকাছি কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ শুরু করে বিএসএফ সদস্যরা। স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত বিজিবিকে খবর দেয়। পরে বিজিবি ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাধা দিলে বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যদের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়।
এ ঘটনায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে বুধবার আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে শূন্যরেখার কাছে কাঁটাতারের বেড়া স্থাপনের দফায় দফায় চেষ্টা করে যাচ্ছে বিএসএফ। এতে আতঙ্কিত স্থানীয়রা।
বিজিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না পাওয়া গেলেও জয়পুরহাট-২০ বিজিবির ক্যাম্প কমান্ডার সাত্তার হোসেন বেড়া দেওয়ার সত্যতা স্বীকার করলেও স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়া বক্তব্য দেওয়া যাবে না।
What's Your Reaction?