ঝালকাঠির আলোচিত ‘জর্দা শামীম’ রংপুরে গ্রেফতার

ঝালকাঠির আলোচিত শামীম আহমেদ (৫৭) ওরফে জর্দা শামীমকে ছয় বোতল বিদেশি মদসহ গ্রেফতার করেছে রংপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বুধবার (০৬ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলাধীন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার (০৭ মে) দুপুরে জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক। গ্রেফতার শামীম ঝালকাঠি পৌর এলাকার পূর্ব কাঠপট্টি মহল্লার মৃত শাহাবুদ্দিন মিয়ার ছেলে এবং ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক লীগের সহসভাপতি। পুলিশ সুপার জানান, শামীমের কাছ থেকে ছয় বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন। ঝালকাঠির শামীম আহমেদ এলাকায় ‘জর্দা শামীম’ হিসেবেই বেশি পরিচিত। মূলত তিনি একজন ব্যবসায়ী হলেও তার কর্মকাণ্ড এবং জীবনযাপন নিয়ে অনেক আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এবং তাদের ছত্রছায়ায় এলাকায় নিজের প্রভাব বলয় তৈরি করার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে ঝালকাঠির প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তার সখ্যতাকে পুঁজি করে তিনি নানা কাজ হাসিল করতেন বলে জনশ্রুতি আছে। এলাকায় বিভিন্ন জমি

ঝালকাঠির আলোচিত ‘জর্দা শামীম’ রংপুরে গ্রেফতার

ঝালকাঠির আলোচিত শামীম আহমেদ (৫৭) ওরফে জর্দা শামীমকে ছয় বোতল বিদেশি মদসহ গ্রেফতার করেছে রংপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

বুধবার (০৬ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলাধীন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (০৭ মে) দুপুরে জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক।

গ্রেফতার শামীম ঝালকাঠি পৌর এলাকার পূর্ব কাঠপট্টি মহল্লার মৃত শাহাবুদ্দিন মিয়ার ছেলে এবং ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক লীগের সহসভাপতি।

পুলিশ সুপার জানান, শামীমের কাছ থেকে ছয় বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

ঝালকাঠির শামীম আহমেদ এলাকায় ‘জর্দা শামীম’ হিসেবেই বেশি পরিচিত। মূলত তিনি একজন ব্যবসায়ী হলেও তার কর্মকাণ্ড এবং জীবনযাপন নিয়ে অনেক আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এবং তাদের ছত্রছায়ায় এলাকায় নিজের প্রভাব বলয় তৈরি করার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে ঝালকাঠির প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তার সখ্যতাকে পুঁজি করে তিনি নানা কাজ হাসিল করতেন বলে জনশ্রুতি আছে।

এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল, টর্চার সেলে নারী-পুরুষদের আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

অভিযোগ আছে যে, তিনি স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবসা-বাণিজ্য ও হাট-বাজার নিয়ন্ত্রণে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট পরিচালনা করতেন। এলাকায় ব্যক্তিগত ক্যাডার বাহিনী পালন এবং আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করে ভীতি তৈরির অভিযোগও স্থানীয়রা বিভিন্ন সময় তুলেছেন।

জিতু কবীর/এফএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow