টাকার অভাবে চিকিৎসা বন্ধ, যেন মৃত্যুর প্রহর গুনছে পুরো পরিবার
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ৭নং নালিতাবাড়ী সদর ইউনিয়নের খরখরিয়াকান্দা গ্রামের বাসিন্দা ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (১৮)। দুই বছর আগে সুপারি পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে গুরুতর আহত হন। সেসময় প্রাথমিক চিকিৎসা নিলেও পরে সমস্যা জটিল হয়ে ওঠে। মেডিকেল রিপোর্টে আসে মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে। কয়েকটি হাসপাতাল ঘুরে এখন টাকার অভাবে বিছানায় অতিকষ্টে দিন কাটছে সাইফুলের। সাইফুলের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ছাইফুলের মা বেঁচে নেই। তিনমাস আগে স্ট্রোক করে বাবা ফয়েজ উদ্দিন শয্যাশায়ী। আর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে আছেন বড় ভাই। এরই মধ্যে মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যাওয়ার কারণে দাঁড়াতে না পারায় বিছানায় শুয়ে থাকতে থাকতে তার পিঠেও ঘা হয়ে তাতে পচন ধরে গেছে। একমাত্র বোন তাদের সেবাযত্ন করছে। দরিদ্র অসহায় এই পরিবারটি উন্নত চিকিৎসার অভাবে নিজ বাড়িতে মৃত্যুর প্রহর গুনছে। অস্ট্রেলিয়ার স্টার ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি জেনারেল ও বি.এম সাবাব ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জানান, ছেলেটি অন্য সবার মতোই স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখে। সাইফুলের বাবাও অসুস্থ, ভাইটিও অসুস্থ। সবার দোয়া ও ভালোবাসায় পরিবারটির মুখে আবার হাসি ফুটতে পার
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ৭নং নালিতাবাড়ী সদর ইউনিয়নের খরখরিয়াকান্দা গ্রামের বাসিন্দা ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (১৮)। দুই বছর আগে সুপারি পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে গুরুতর আহত হন। সেসময় প্রাথমিক চিকিৎসা নিলেও পরে সমস্যা জটিল হয়ে ওঠে। মেডিকেল রিপোর্টে আসে মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে। কয়েকটি হাসপাতাল ঘুরে এখন টাকার অভাবে বিছানায় অতিকষ্টে দিন কাটছে সাইফুলের।
সাইফুলের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ছাইফুলের মা বেঁচে নেই। তিনমাস আগে স্ট্রোক করে বাবা ফয়েজ উদ্দিন শয্যাশায়ী। আর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে আছেন বড় ভাই। এরই মধ্যে মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যাওয়ার কারণে দাঁড়াতে না পারায় বিছানায় শুয়ে থাকতে থাকতে তার পিঠেও ঘা হয়ে তাতে পচন ধরে গেছে। একমাত্র বোন তাদের সেবাযত্ন করছে। দরিদ্র অসহায় এই পরিবারটি উন্নত চিকিৎসার অভাবে নিজ বাড়িতে মৃত্যুর প্রহর গুনছে।
অস্ট্রেলিয়ার স্টার ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি জেনারেল ও বি.এম সাবাব ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জানান, ছেলেটি অন্য সবার মতোই স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখে। সাইফুলের বাবাও অসুস্থ, ভাইটিও অসুস্থ। সবার দোয়া ও ভালোবাসায় পরিবারটির মুখে আবার হাসি ফুটতে পারে।
স্থানীয় মানবাধিকার কর্মী এম উজ্জ্বল বলেন, কিশোর সাইফুলের বোন ফেরদৌসী বেগম এখন এই অসুস্থ লোকজনগুলোকে দেখভাল করছেন। সাইফুলের বাবা ফয়েজ উদ্দিন ও গুরুতর অসুস্থ ভাইয়ের চিকিৎসা সহায়তার জন্য বিত্তবানদের সহযোগিতা খুবই প্রয়োজন।
শেরপুর জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এ টি এম আমিনুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, নালিতাবাড়ী উপজেলার সদর ইউনিয়নের খরখরিয়াকান্দা গ্রামের বাসিন্দা ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে মো. সাইফুল ইসলামের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপজেলা সমাজসেবা অফিসে জমা দিলে বিধি অনুযায়ী তাকে সহযোগিতা করা হবে। তাছাড়া সমাজের বিত্তবানদের প্রতিও অনুরোধ রইলো, সাইফুলকে সহযোগিতা করার।
মো. নাঈম ইসলাম/এফএ/জেআইএম
What's Your Reaction?