টাকা ধার নিয়ে আত্মগোপনে নারী, পাওনাদারদের চাপে ফেলতে গুমের মামলা
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে হঠাৎ আত্মগোপনে চলে যান সাহেরা (৫৫) নামে এক নারী। এর আগে থেকেই তার বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির মামলা চলমান ছিল। পরে পাওনাদারদের চাপে ফেলতে ছেলে সাইদুর অপহরণ ও লাশ গুমের মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। প্রায় দুই বছর আত্মগোপনে থাকার পর শেষ পর্যন্ত পুলিশের জালে ধরা পড়েন ওই নারী। শনিবার (১১ এপ্রিল) ভোররাতে গাজীপুরের কোনাবাড়ি এলাকা থেকে সাহেরাকে গ্রেপ্তার করে মেলান্দহ থানা পুলিশ। জানা গেছে, মেলান্দহ উপজেলার ভাবকী আটাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা সাহেরা পার্শ্ববর্তী জাহাঙ্গীর আলমের কাছ থেকে চেকের বিনিময়ে ১৫ লাখ টাকা ধার নেন। নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধ না করায় জাহাঙ্গীর আলম জামালপুর আদালতে তার বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির মামলা দায়ের করেন। এরপর ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর প্রস্তুতি নেন সাহেরা। ছেলে বিদেশ চলে যাওয়ার কিছুদিন পর হঠাৎই উধাও হয়ে যান তিনি। ২০২৪ সালের শুরুর দিকে নিখোঁজ হন সাহেরা। পরবর্তীতে ছেলে সাইদুর বিদেশ থেকে ছুটিতে দেশে এসে জাহাঙ্গীর আলমসহ তার আত্মীয়-স্বজন চারজনের বিরুদ্ধে অপহরণ, হত্যা ও লাশ গুমের মিথ্যা মামলা করেন। মেলান্দহ থানা পুলিশ তদন্ত
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে হঠাৎ আত্মগোপনে চলে যান সাহেরা (৫৫) নামে এক নারী। এর আগে থেকেই তার বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির মামলা চলমান ছিল। পরে পাওনাদারদের চাপে ফেলতে ছেলে সাইদুর অপহরণ ও লাশ গুমের মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।
প্রায় দুই বছর আত্মগোপনে থাকার পর শেষ পর্যন্ত পুলিশের জালে ধরা পড়েন ওই নারী। শনিবার (১১ এপ্রিল) ভোররাতে গাজীপুরের কোনাবাড়ি এলাকা থেকে সাহেরাকে গ্রেপ্তার করে মেলান্দহ থানা পুলিশ।
জানা গেছে, মেলান্দহ উপজেলার ভাবকী আটাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা সাহেরা পার্শ্ববর্তী জাহাঙ্গীর আলমের কাছ থেকে চেকের বিনিময়ে ১৫ লাখ টাকা ধার নেন। নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধ না করায় জাহাঙ্গীর আলম জামালপুর আদালতে তার বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির মামলা দায়ের করেন।
এরপর ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর প্রস্তুতি নেন সাহেরা। ছেলে বিদেশ চলে যাওয়ার কিছুদিন পর হঠাৎই উধাও হয়ে যান তিনি। ২০২৪ সালের শুরুর দিকে নিখোঁজ হন সাহেরা। পরবর্তীতে ছেলে সাইদুর বিদেশ থেকে ছুটিতে দেশে এসে জাহাঙ্গীর আলমসহ তার আত্মীয়-স্বজন চারজনের বিরুদ্ধে অপহরণ, হত্যা ও লাশ গুমের মিথ্যা মামলা করেন।
মেলান্দহ থানা পুলিশ তদন্ত করে অপহরণ বা গুমের কোনো আলামত না পেয়ে মামলার চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করে। পুলিশের রিপোর্টের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন করে পিবিআইয়ের তদন্ত চান সাহেরার পরিবার। অন্যদিকে চেক জালিয়াতির মামলায় সাহেরার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান কালবেলাকে বলেন, চেক জালিয়াতির মামলা থেকে বাঁচতে এবং প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে গুমের নাটক সাজিয়েছিলেন সাহেরা। তার বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। মিথ্যা মামলার বাদী তার ছেলে সাইদুর বিদেশ থেকে এসে মামলা করে আবার দেশের বাইরে চলে গেছে। গ্রেপ্তার সাহেরাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
What's Your Reaction?