টাঙ্গাইলে যুবদলের চার নেতাকে শোকজ
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে টাঙ্গাইল জেলা ও নাগরপুর উপজেলা যুবদলের চার নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতে যুবদলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নোটিশ দেওয়া হয়। যাদেরকে শোকজ করা হয়েছে তারা হলেন- টাঙ্গাইল জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব জাহিদ হোসেন মালা, নাগরপুর উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নাজমুল হক স্বাধীন এবং ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মো. নজরুল ইসলাম। নোটিশে বলা হয়, টাঙ্গাইল জেলা ও নাগরপুর উপজেলা যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে থেকে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অমান্য করে বিধি বহির্ভূতভাবে দলীয় সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন বলে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির দৃষ্টিগোচর হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সংগঠনের শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী কর্মকাণ্ডের জন্য কেন তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না সে বিষয়ে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নু
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে টাঙ্গাইল জেলা ও নাগরপুর উপজেলা যুবদলের চার নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি।
শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতে যুবদলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নোটিশ দেওয়া হয়।
যাদেরকে শোকজ করা হয়েছে তারা হলেন- টাঙ্গাইল জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব জাহিদ হোসেন মালা, নাগরপুর উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নাজমুল হক স্বাধীন এবং ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মো. নজরুল ইসলাম।
নোটিশে বলা হয়, টাঙ্গাইল জেলা ও নাগরপুর উপজেলা যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে থেকে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অমান্য করে বিধি বহির্ভূতভাবে দলীয় সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন বলে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সংগঠনের শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী কর্মকাণ্ডের জন্য কেন তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না সে বিষয়ে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপির নিকট উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আব্দুল্লাহ আল নোমান/ইএ
What's Your Reaction?