টাঙ্গাইল-২ আসনে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করলেন গণ অধিকারের শাকিল

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-০২ (গোপালপুর–ভূঞাপুর) আসন থেকে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের নেতা শাকিল উজ্জামান। সোমবার (১৯ জানুয়ারি ) রাত ১১ টা ৫০ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। ফেসবুক পোস্টে শাকিল উজ্জামান বলেন, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর কর্তৃক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র সঙ্গে আসন সমঝোতার সিদ্ধান্ত এবং দলীয় নেতাকর্মীদের ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহবান জানানোয় দলীয় প্রার্থীদের স্বতন্ত্র নির্বাচনী লড়াই কার্যত প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। তার ভাষায়, “দল এককভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে প্রার্থীদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে মাঠে থাকার সুযোগ থাকতো।” এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন চালিয়ে যাওয়াকে নীতিগতভাবে অসংগত মনে করে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে যারা তার পাশে ছিলেন—মনোনয়ন প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের প্রচারণায় যারা শ্রম দিয়েছেন, সাহস ও শক্তি যুগিয়েছেন—তাদের সকলের প্রতি তিনি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। শাকিল উজ্জামান তার পোস্টে বলেন, ত

টাঙ্গাইল-২ আসনে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করলেন গণ অধিকারের শাকিল

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-০২ (গোপালপুর–ভূঞাপুর) আসন থেকে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের নেতা শাকিল উজ্জামান।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি ) রাত ১১ টা ৫০ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

ফেসবুক পোস্টে শাকিল উজ্জামান বলেন, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর কর্তৃক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র সঙ্গে আসন সমঝোতার সিদ্ধান্ত এবং দলীয় নেতাকর্মীদের ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহবান জানানোয় দলীয় প্রার্থীদের স্বতন্ত্র নির্বাচনী লড়াই কার্যত প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে।

তার ভাষায়, “দল এককভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে প্রার্থীদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে মাঠে থাকার সুযোগ থাকতো।”

এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন চালিয়ে যাওয়াকে নীতিগতভাবে অসংগত মনে করে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে যারা তার পাশে ছিলেন—মনোনয়ন প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের প্রচারণায় যারা শ্রম দিয়েছেন, সাহস ও শক্তি যুগিয়েছেন—তাদের সকলের প্রতি তিনি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

শাকিল উজ্জামান তার পোস্টে বলেন, তিনি সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে নয়, বরং এলাকার সন্তান, ভাই ও সহযোদ্ধা হিসেবে জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে থাকবেন। ভবিষ্যত রাজনৈতিক পথচলায় নীতিহীনতা ও রাজনৈতিক অপসংস্কৃতি থেকে দূরে থাকার জন্য সবার দোয়া কামনা করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণা গণঅধিকার পরিষদের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত ও বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে। বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও হতাশা তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তারা।

এ বিষয়ে শাকিল উজ্জামান ফোনে নিশ্চিত করে বলেন, আমি সত্যিই প্রার্থীতা প্রত্যাহার করছি। এই মর্মে সজ্ঞানে নিজের ফেসবুক পেইজে একটি পোস্ট করি।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল-০২ (গোপালপুর–ভূঞাপুর) আসনটি দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা হিসেবে পরিচিত।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow