টানা বৃষ্টিতে ক্ষতির মুখে ভুট্টা চাষিরা
কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় টানা কয়েকদিনের বৃষ্টি ও গুমোট আবহাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ভুট্টা চাষিরা। চলতি মৌসুমে ভালো ফলন হলেও সময়মতো ভুট্টা শুকাতে না পারায় এখন ক্ষতির মুখে পড়ছেন প্রান্তিক কৃষকরা।
উপজেলার চিলমারী, নয়ারহাট ও অষ্টমীচর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকায় এবার ভুট্টার আবাদ হয়েছিল। মৌসুমজুড়ে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনও হয়েছিল সন্তোষজনক। কিন্তু শেষ সময়ে এসে টানা বৃষ্টি কৃষকের সেই স্বপ্নে ধাক্কা দিয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাঠ থেকে ভুট্টা সংগ্রহ করে ঘরে তোলা হলেও রোদ না থাকায় তা শুকানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ভুট্টার দানায় ছত্রাক দেখা দিচ্ছে, কোথাও কোথাও অঙ্কুরোদগমও শুরু হয়েছে। খোলা জায়গায় রাখা ভুট্টা বারবার বৃষ্টিতে ভিজে আরও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
অষ্টমীচর ইউনিয়নের নটারকান্দি এলাকার কৃষক মো. ছকের আলী, ছোরমান আলী ও মজিবর রহমান ফকিরসহ অর্ধশতাধিক কৃষক জানান, তারা এক থেকে পাঁচ বিঘা পর্যন্ত জমিতে ভুট্টা চাষ করেছেন। টানা প্রায় ১০ দিনের বৃষ্টি ও রোদের অভাবে অনেকের ভুট্টা পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, আবার কারো ভুট্টা গজিয়ে যাচ্ছে।
কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় টানা কয়েকদিনের বৃষ্টি ও গুমোট আবহাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ভুট্টা চাষিরা। চলতি মৌসুমে ভালো ফলন হলেও সময়মতো ভুট্টা শুকাতে না পারায় এখন ক্ষতির মুখে পড়ছেন প্রান্তিক কৃষকরা।
উপজেলার চিলমারী, নয়ারহাট ও অষ্টমীচর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকায় এবার ভুট্টার আবাদ হয়েছিল। মৌসুমজুড়ে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনও হয়েছিল সন্তোষজনক। কিন্তু শেষ সময়ে এসে টানা বৃষ্টি কৃষকের সেই স্বপ্নে ধাক্কা দিয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাঠ থেকে ভুট্টা সংগ্রহ করে ঘরে তোলা হলেও রোদ না থাকায় তা শুকানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ভুট্টার দানায় ছত্রাক দেখা দিচ্ছে, কোথাও কোথাও অঙ্কুরোদগমও শুরু হয়েছে। খোলা জায়গায় রাখা ভুট্টা বারবার বৃষ্টিতে ভিজে আরও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
অষ্টমীচর ইউনিয়নের নটারকান্দি এলাকার কৃষক মো. ছকের আলী, ছোরমান আলী ও মজিবর রহমান ফকিরসহ অর্ধশতাধিক কৃষক জানান, তারা এক থেকে পাঁচ বিঘা পর্যন্ত জমিতে ভুট্টা চাষ করেছেন। টানা প্রায় ১০ দিনের বৃষ্টি ও রোদের অভাবে অনেকের ভুট্টা পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, আবার কারো ভুট্টা গজিয়ে যাচ্ছে।