ট্রফি নেই, তবুও ব্যালন ডি’অর দৌড়ে লড়ছেন যারা

কিলিয়ান এমবাপের পায়ে গোলের ঝড়, বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট এবং রিয়াল মাদ্রিদের আক্রমণভাগের নেতৃত্ব—সবই আছে। তবে এবারের ব্যালন ডি’অর জয়ের পথে তাঁর সবচেয়ে বড় ঘাটতি একটাই, সেটি হলো বড় কোনো দলীয় শিরোপার অভাব। তারপরও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের জোরে ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের দৌড়ে অন্যতম ফেভারিট হিসেবে উঠে এসেছেন ফরাসি এই তারকা। ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—দলীয় ট্রফি ছাড়া কি বিশ্বের সেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি পাওয়া সম্ভব? ইতিহাস বলছে, উত্তরটি হ্যাঁ। তবে এমন ঘটনা খুবই বিরল। একবিংশ শতাব্দীতে মাত্র দুজন ফুটবলার দলীয় বড় সাফল্য ছাড়াই ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। ২০০০ সালে এই কীর্তি গড়েছিলেন লুইস ফিগো এবং ২০১৩ সালে জিতেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। দুজনের ক্ষেত্রেই ছিল একটি মিল—তাঁরা দুজনই তখন খেলছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে। ক্লাব বড় কোনো শিরোপা না জিতলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে তাঁরা ছিলেন অসাধারণ। সেবার ভোটাররা দলীয় সাফল্যের চেয়ে খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। এরপর আর কোনো ফুটবলার ট্রফি ছাড়াই ব্যালন ডি’অর জিততে পারেননি। বরং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ,

ট্রফি নেই, তবুও ব্যালন ডি’অর দৌড়ে লড়ছেন যারা

কিলিয়ান এমবাপের পায়ে গোলের ঝড়, বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট এবং রিয়াল মাদ্রিদের আক্রমণভাগের নেতৃত্ব—সবই আছে। তবে এবারের ব্যালন ডি’অর জয়ের পথে তাঁর সবচেয়ে বড় ঘাটতি একটাই, সেটি হলো বড় কোনো দলীয় শিরোপার অভাব। তারপরও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের জোরে ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের দৌড়ে অন্যতম ফেভারিট হিসেবে উঠে এসেছেন ফরাসি এই তারকা।

ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—দলীয় ট্রফি ছাড়া কি বিশ্বের সেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি পাওয়া সম্ভব? ইতিহাস বলছে, উত্তরটি হ্যাঁ। তবে এমন ঘটনা খুবই বিরল।

একবিংশ শতাব্দীতে মাত্র দুজন ফুটবলার দলীয় বড় সাফল্য ছাড়াই ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। ২০০০ সালে এই কীর্তি গড়েছিলেন লুইস ফিগো এবং ২০১৩ সালে জিতেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। দুজনের ক্ষেত্রেই ছিল একটি মিল—তাঁরা দুজনই তখন খেলছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে। ক্লাব বড় কোনো শিরোপা না জিতলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে তাঁরা ছিলেন অসাধারণ। সেবার ভোটাররা দলীয় সাফল্যের চেয়ে খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন।

এরপর আর কোনো ফুটবলার ট্রফি ছাড়াই ব্যালন ডি’অর জিততে পারেননি। বরং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ঘরোয়া লিগ কিংবা বড় আন্তর্জাতিক ট্রফি জয়ী খেলোয়াড়রাই এই পুরস্কারের দৌড়ে এগিয়ে থেকেছেন।

তবে এবার পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। একদিকে আছেন বিশ্বকাপজয়ী তরুণ প্রতিভা লামিন ইয়ামাল এবং অভিজ্ঞ মহাতারকা লিওনেল মেসির মতো প্রতিদ্বন্দ্বীরা। অন্যদিকে এমবাপে আছেন দলীয় ট্রফি ছাড়াই ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে।

গোল, ধারাবাহিকতা এবং মাঠে প্রভাব—সব মিলিয়ে এমবাপে প্রমাণ করেছেন নিজের সামর্থ্য। এখন দেখার বিষয়, ব্যালন ডি’অরের ভোটাররা এবার কোন বিষয়টিকে বেশি গুরুত্ব দেন—দলীয় সাফল্য, নাকি একজন খেলোয়াড়ের একক শ্রেষ্ঠত্ব।

যদি শেষ পর্যন্ত এমবাপে ব্যালন ডি’অর জিতে নেন, তাহলে তিনি হবেন ২১ শতকের তৃতীয় ফুটবলার, যিনি কোনো বড় দলীয় ট্রফি ছাড়াই এই সম্মান অর্জন করবেন। আর সেটি আবারও প্রমাণ করবে, ফুটবলে কখনো কখনো একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত জাদু দলীয় সাফল্যের অভাবকেও ছাপিয়ে যেতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow