ট্রাফিক ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে শ্রমিকদের বিক্ষোভ
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) এক ট্রাফিক ইন্সপেক্টরের (টিআই) বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও অটোরিকশা স্ট্যান্ড উচ্ছেদের চেষ্টার অভিযোগে বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকরা। রোববার (১ মার্চ) দুপুরে নগরীর নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়ির সামনে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা অভিযুক্ত টিআই আশিক রহমানকে অবরুদ্ধ করে তার অপসারণের দাবিতে স্লোগান দেন। অটোরিকশা শ্রমিকদের দাবি, তারা দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়ির অদূরে নির্ধারিত স্ট্যান্ড থেকে যাত্রী পরিবহন করে আসছেন। অভিযোগ উঠেছে, বেশ কিছুদিন ধরে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আশিক রহমান ওই স্ট্যান্ড থেকে প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা ‘মাসোহারা’ দাবি করে আসছিলেন। শ্রমিকরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় টিআই আশিক বিভিন্ন সময় অটোরিকশা আটক করে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যেতেন। সবশেষ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি স্ট্যান্ডে গিয়ে উচ্ছেদের হুমকি দিলে শ্রমিকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে একপর্যায়ে ঘটনাস্থল থেকে টিআই আশিক দ্রুত সরে পড়েন। পরে শ্রমিকরা সেখানে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) রেজাউল ইসলাম রেজা শ্রমিকদের অভিযোগ অস্বীকা
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) এক ট্রাফিক ইন্সপেক্টরের (টিআই) বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও অটোরিকশা স্ট্যান্ড উচ্ছেদের চেষ্টার অভিযোগে বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকরা।
রোববার (১ মার্চ) দুপুরে নগরীর নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়ির সামনে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা অভিযুক্ত টিআই আশিক রহমানকে অবরুদ্ধ করে তার অপসারণের দাবিতে স্লোগান দেন।
অটোরিকশা শ্রমিকদের দাবি, তারা দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়ির অদূরে নির্ধারিত স্ট্যান্ড থেকে যাত্রী পরিবহন করে আসছেন। অভিযোগ উঠেছে, বেশ কিছুদিন ধরে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আশিক রহমান ওই স্ট্যান্ড থেকে প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা ‘মাসোহারা’ দাবি করে আসছিলেন।
শ্রমিকরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় টিআই আশিক বিভিন্ন সময় অটোরিকশা আটক করে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যেতেন। সবশেষ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি স্ট্যান্ডে গিয়ে উচ্ছেদের হুমকি দিলে শ্রমিকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে একপর্যায়ে ঘটনাস্থল থেকে টিআই আশিক দ্রুত সরে পড়েন। পরে শ্রমিকরা সেখানে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন।
নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) রেজাউল ইসলাম রেজা শ্রমিকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, চাঁদাবাজির বিষয়টি আমার জানা নেই এবং এর কোনো সম্ভাবনাও নেই। মূলত অবৈধ স্ট্যান্ড উচ্ছেদ ঠেকাতে তারা এমন অভিযোগ তুলছে। তবে শ্রমিকদের ক্ষোভের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে টিআই আশিক রহমানের ব্যক্তিগত মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। এমনকি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. সারফুজ্জামানকেও ফোনে পাওয়া যায়নি।
বিক্ষোভের কারণে এলাকায় কিছু সময় যানজটের সৃষ্টি হয়। পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালালে পরবর্তীতে শ্রমিকরা শান্ত হন। তবে শ্রমিক নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে তারা কঠোর আন্দোলনে নামবেন।
What's Your Reaction?