ট্রাম্পের নতুন আদেশ: ওষুধের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কারোপের হুমকি

কয়েক মাসের মধ্যে ওষুধ কোম্পানিগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে চুক্তিতে না পৌঁছালে কিছু পেটেন্টকৃত ওষুধের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড এমন একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে আল-জাজিরা। বৃহস্পতিবারের (২ এপ্রিল) এই নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী, যেসব কোম্পানি মোস্ট ফেভার্ড নেশন মূল্য নির্ধারণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রে সক্রিয়ভাবে উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তুলছে, তাদের জন্য শুল্ক শূন্য শতাংশ থাকবে। যেসব কোম্পানির মূল্য নির্ধারণ চুক্তি নেই কিন্তু তারা যুক্তরাষ্ট্রে এমন প্রকল্প তৈরি করছে, তাদের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। তবে চার বছরের মধ্যে এটি বাড়িয়ে ১০০ শতাংশ করা হবে। একজন জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানান, ১০০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হওয়ার আগে কোম্পানিগুলোর কাছে আলোচনার জন্য এখনও কয়েক মাস সময় রয়েছে। বড় কোম্পানিগুলোকে ১২০ দিন এবং অন্যদের জন্য ১৮০ দিন সময় দেওয়া হবে। নির্বাহী আদেশ জারি হওয়ার আগে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, কোনো কোম্পানি বা কোনও ওষুধ এই উচ্চ শুল্কের আওতায় পড়তে

ট্রাম্পের নতুন আদেশ: ওষুধের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কারোপের হুমকি

কয়েক মাসের মধ্যে ওষুধ কোম্পানিগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে চুক্তিতে না পৌঁছালে কিছু পেটেন্টকৃত ওষুধের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড এমন একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে আল-জাজিরা।

বৃহস্পতিবারের (২ এপ্রিল) এই নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী, যেসব কোম্পানি মোস্ট ফেভার্ড নেশন মূল্য নির্ধারণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রে সক্রিয়ভাবে উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তুলছে, তাদের জন্য শুল্ক শূন্য শতাংশ থাকবে।

যেসব কোম্পানির মূল্য নির্ধারণ চুক্তি নেই কিন্তু তারা যুক্তরাষ্ট্রে এমন প্রকল্প তৈরি করছে, তাদের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। তবে চার বছরের মধ্যে এটি বাড়িয়ে ১০০ শতাংশ করা হবে।

একজন জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানান, ১০০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হওয়ার আগে কোম্পানিগুলোর কাছে আলোচনার জন্য এখনও কয়েক মাস সময় রয়েছে। বড় কোম্পানিগুলোকে ১২০ দিন এবং অন্যদের জন্য ১৮০ দিন সময় দেওয়া হবে।

নির্বাহী আদেশ জারি হওয়ার আগে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, কোনো কোম্পানি বা কোনও ওষুধ এই উচ্চ শুল্কের আওতায় পড়তে পারে তা এখনো নির্দিষ্ট করা হয়নি।

তবে তিনি উল্লেখ করেন, প্রশাসন এরই মধ্যে বড় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ১৭টি মূল্য চুক্তি করেছে, যার মধ্যে ১৩টি ইতোমধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এই নির্বাহী আদেশে ট্রাম্প বলেন, ফার্মাসিউটিক্যাল ও ফার্মাসিউটিক্যাল উপাদান আমদানির কারণে জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্যই তিনি এই শুল্ক আরোপকে প্রয়োজনীয় মনে করেন।

এই আদেশটি এসেছে তথাকথিত লিবারেশন ডে-এর প্রথম বার্ষিকীতে। সেদিন ট্রাম্প প্রায় বিশ্বের সব দেশের ওপর ব্যাপক আমদানি শুল্ক ঘোষণা করেছিলেন, যার ফলে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দেয়। তবে ওই লিবারেশন ডে শুল্কগুলোর কিছু অংশ পরে সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দেয়।

সমালোচক, ওষুধ শিল্পের নেতারা এবং চিকিৎসা সংগঠনগুলো সতর্ক করে দিয়েছে যে এই নতুন শুল্কের ফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

ফার্মাসিউটিক্যাল ট্রেড গ্রুপ ফার্মা-এর সিইও স্টেফিন জে বলেন, উন্নতমানের ওষুধের ওপর কর বাড়ালে খরচ বাড়বে এবং যুক্তরাষ্ট্রে বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

কেএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow