ডব্লিউএইচওর ঝুঁকিসীমা ছাড়িয়েছে রাজশাহীর এডিস সূচক, বাড়ছে ডেঙ্গু আতঙ্ক
বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই রাজশাহী নগরীতে এডিস মশার প্রজনন উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রাক-বর্ষা কীটতাত্ত্বিক জরিপে দেখা গেছে, নগরীর এডিস প্রজনন সূচক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্ধারিত উচ্চ ঝুঁকির সীমার অনেক ওপরে অবস্থান করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে চলতি বর্ষা মৌসুমে রাজশাহীতে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। ‘ডব্লিউএইচওর ঝুঁকিসীমা ও রাজশাহীর এডিস সূচক রাজশাহীর জন্য অশনিসংকেত। রাজশাহী নগরীতে স্বাধীনতা পরপর ২ হাজার পুকুর ছিল। সেই পুকুরগুলো এখন অবৈধভাবে ভরাট, দখল হতে হতে এখন দুইশোর নিচে নেমে গেছে। নগরীর যে জলাবদ্ধতা এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাব তার অনেকটাই এই পুকুরগুলো কাভার করতো। কিন্তু এখন সেটাও নষ্ট হয়ে গেছে। রাজশাহী এখন সবুজআয়নের নগরীর নেই-কংক্রিটের নগরীতে রূপ নিয়েছে।’ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে গত মে মাসে পরিচালিত প্রাক-বর্ষা কীটতাত্ত্বিক জরিপে রাজশাহী নগরীর ব্রেটো ইনডেক্স (বিআই) পাওয়া গেছে ৩০ দশমিক ৬৬। ডব্লিউএইচওর নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্রেটো ইনডেক্স ২০-এর বেশি হলে সেটিকে ডেঙ্গু সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকি হিস
বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই রাজশাহী নগরীতে এডিস মশার প্রজনন উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রাক-বর্ষা কীটতাত্ত্বিক জরিপে দেখা গেছে, নগরীর এডিস প্রজনন সূচক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্ধারিত উচ্চ ঝুঁকির সীমার অনেক ওপরে অবস্থান করছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে চলতি বর্ষা মৌসুমে রাজশাহীতে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
‘ডব্লিউএইচওর ঝুঁকিসীমা ও রাজশাহীর এডিস সূচক রাজশাহীর জন্য অশনিসংকেত। রাজশাহী নগরীতে স্বাধীনতা পরপর ২ হাজার পুকুর ছিল। সেই পুকুরগুলো এখন অবৈধভাবে ভরাট, দখল হতে হতে এখন দুইশোর নিচে নেমে গেছে। নগরীর যে জলাবদ্ধতা এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাব তার অনেকটাই এই পুকুরগুলো কাভার করতো। কিন্তু এখন সেটাও নষ্ট হয়ে গেছে। রাজশাহী এখন সবুজআয়নের নগরীর নেই-কংক্রিটের নগরীতে রূপ নিয়েছে।’
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে গত মে মাসে পরিচালিত প্রাক-বর্ষা কীটতাত্ত্বিক জরিপে রাজশাহী নগরীর ব্রেটো ইনডেক্স (বিআই) পাওয়া গেছে ৩০ দশমিক ৬৬।
ডব্লিউএইচওর নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্রেটো ইনডেক্স ২০-এর বেশি হলে সেটিকে ডেঙ্গু সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং জরুরি ভিত্তিতে মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালনার সুপারিশ করা হয়।
জরিপে রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন এলাকার ৭৫টি বাড়ি পরিদর্শন করা হয়। এর মধ্যে ১৫টি বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে, ফলে হাউস ইনডেক্স দাঁড়িয়েছে ২০ শতাংশে। অন্যদিকে পরীক্ষা করা ৫২টি পানিধারক পাত্রের মধ্যে ২৩টিতে লার্ভা শনাক্ত হওয়ায় কনটেইনার ইনডেক্স পাওয়া গেছে ৪৪ দশমিক ২৩ শতাংশ।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি পাঁচটি বাড়ির একটিতে এবং প্রায় অর্ধেক পানির পাত্রে এডিসের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে নগরীতে মশার উৎস ধ্বংস কার্যক্রমে এখনও বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে।
‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে আমরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছি। এর মধ্যে রয়েছে প্রতি শনিবার নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা, ডেঙ্গু জ্বর ও এডিস মশার কামড় প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, এবং সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় মশকনাশক ও লার্ভানাশক স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা।’
বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয়ের এন্টো-টেকনিশিয়ান আব্দুল বারী বলেন, নিয়মিত প্রাক-বর্ষা নজরদারির অংশ হিসেবে পরিচালিত জরিপে দেখা গেছে, নগরীতে লার্ভা ও পূর্ণবয়স্ক এডিস মশার সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি পেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

পানিতে এডিস মশার লার্ভা/ ছবি: জাগো নিউজ
জেলা কীটতত্ত্ববিদ উম্মে হাবিবা জানান, ফুলের টব, ছাদবাগান, খোলা নারকেলের খোসা, দইয়ের পাত্র, শিশুদের খেলনা, পরিত্যক্ত প্লাস্টিক সামগ্রী এবং বিভিন্ন গৃহস্থালি পানিধারক বস্তুতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, জরিপের ফলাফল ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ ইতোমধ্যে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের কাছে পাঠানো হয়েছে।
ডেঙ্গুর ঝুঁকির বাস্তব চিত্র উঠে এসেছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। গত ৫ জুন হাম থেকে সেরে ওঠার পর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের আইসিইউতে মারা যায় দেড় বছরের শিশু তাইবা। তার বাবা জাহিদুল ইসলাম। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান ছিল তাইবা।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত ৫১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ সময় ১৮ মাস বয়সী এক শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
জাতীয় পর্যায়েও ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তন, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের ঘাটতির কারণে আগামী কয়েক মাসে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
‘নগরীর ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রাখা এবং মশা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তিনি নগরবাসীকে পানির ট্যাংক, ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, নির্মাণসামগ্রী এবং যেসব স্থানে পানি জমে থাকতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান।’
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২৩ সালে বাংলাদেশ ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ডেঙ্গু পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিল, যখন তিন লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হন এবং এক হাজার সাতশোরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তন, দীর্ঘস্থায়ী বর্ষা, জলাবদ্ধতা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং নিয়মিত উৎস ধ্বংস কার্যক্রমের অভাব ডেঙ্গু বিস্তারের অন্যতম কারণ।
গবেষণায় দেখা গেছে, বৃষ্টিপাত ও আর্দ্রতা বৃদ্ধির এক থেকে দুই মাসের মধ্যে ডেঙ্গু সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে শুরু করে। ফলে বর্ষার শুরুতেই এডিস মশার বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
রাসিকের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন বলেন, নগরীর ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রাখা এবং মশা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তিনি নগরবাসীকে পানির ট্যাংক, ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, নির্মাণসামগ্রী এবং যেসব স্থানে পানি জমে থাকতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকরকে বিশ্বাস বলেন, জরিপের ফলাফলকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এখনই লার্ভা ধ্বংস অভিযান, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিবিড় নজরদারি শুরু করা প্রয়োজন। এডিস মশা একটি ক্ষতিকর বাহক, যা বিভিন্ন রোগ ছড়ায়। তাই নিজেদের সুরক্ষায় আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। বাড়ি, অফিস-আদালতসহ সব জায়গা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কোথাও যেন তিন দিনের বেশি পরিষ্কার পানি জমে না থাকে, সেদিকে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র, ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার বা যেকোনো পাত্রে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এছাড়া বাড়ির আশপাশের ঝোপঝাড় ও জঙ্গল নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে এবং প্রয়োজন হলে সেখানে স্প্রে করতে হবে। রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করা উচিত। আমরা যদি এসব স্বাস্থ্যবিধি ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা মেনে চলি, তাহলে মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে নিজেদের, পরিবারকে এবং সমাজকে নিরাপদ রাখতে পারব।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) রাজশাহী সমন্বয়কারী এবং পরিবেশবিদ তন্ময় কুমার সান্যাল জাগো নিউজকে বলেন, ডব্লিউএইচওর ঝুঁকিসীমা ও রাজশাহীর এডিস সূচক রাজশাহীর জন্য অশনিসংকেত। রাজশাহী নগরীতে স্বাধীনতা পরপর ২ হাজার পুকুর ছিল। সেই পুকুরগুলো এখন অবৈধভাবে ভরাট, দখল হতে হতে এখন দুইশোর নিচে নেমে গেছে। নগরীর যে জলাবদ্ধতা এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাব তার অনেকটাই এই পুকুরগুলো কাভার করতো। কিন্তু এখন সেটাও নষ্ট হয়ে গেছে। রাজশাহী এখন সবুজআয়নের নগরীর নেই-কংক্রিটের নগরীতে রূপ নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গত দুই বছরে রাজশাহী সিটি করপোরেশন পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিতে তেমন জোর দেয়নি। রাজশাহীতে ব্যাপক মশার প্রকোপ বেড়েছে। মশা নিধনেও রাসিকের তেমন কোনো উদ্যোগ আমরা দেখিনি। ডব্লিউএইচওর ঝুঁকিসীমা ও এডিস সূচক মাথায় রেখে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের কাজ করা উচিত। তাদের ড্রেনেজ সিস্টেম প্রতিনিয়ত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা উচিত। এছাড়াও ওয়ার্ড ভিত্তিতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. এস,আই,এম রাজিউল করিম জাগো নিউজকে বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে আমরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছি। এর মধ্যে রয়েছে প্রতি শনিবার নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা, ডেঙ্গু জ্বর ও এডিস মশার কামড় প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, এবং সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় মশকনাশক ও লার্ভানাশক স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা।
তিনি আরও বলেন, জ্বর দেখা দিলে ডেঙ্গু এনএস১ অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। জটিলতা দেখা দেওয়ার আগেই প্রয়োজন হলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া সূর্যোদয়ের সময় এবং সূর্যাস্তের পূর্ববর্তী সময়ে দরজা-জানালা খোলা রাখা থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ এ সময় এডিস মশার কামড়ানোর প্রবণতা সবচেয়ে বেশি থাকে।
এদিকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ফগার মেশিনে কীটনাশক স্প্রে এবং লার্ভিসাইড স্প্রে কার্যক্রম শুরু করেছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক)। নগরীর উপশহর মোড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।
রাসিকের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রশাসক জাগো নিউজকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে এবং নাগরিক সেবা সুনিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মশক নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যে আমরা দুই সপ্তাহব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ফগার মেশিনে স্প্রে কার্যক্রম শেষ করেছি। এর আগে আমরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক র্যালি করেছি। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে রাসিক প্রশাসক বলেন, ডেঙ্গু একটি মারাত্মক মশাবাহিত রোগ হলেও সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব। ডেঙ্গুমুক্ত রাজশাহী নগরী গড়ে তুলতে নিজ আঙিনা ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। ফুলের টব, ভাঙা হাঁড়ি-পাতিল, গাড়ির পরিত্যক্ত টায়ার, টিনের কৌটা, ডাব-নারকেলের খোসা ইত্যাদি স্থানে পানি জমতে দেবেন না, মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।
মনির হোসেন মাহিন/এনএইচআর/জেআইএম
What's Your Reaction?