ডা. হুমায়ুন কবীর হিমুর ‘ছোটদের ফার্স্ট এইড’ প্রকাশিত
দীর্ঘ ১৮ দিনের আয়োজন শেষে রোববার শেষ হয়েছে অমর একুশে বইমেলা ২০২৬। শেষ দিনেও পাঠকদের ভিড়ে মুখর ছিল বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। নতুন বই খোঁজা আর প্রিয় লেখকের বই সংগ্রহে ব্যস্ত ছিলেন বইপ্রেমীরা। এ বছর মেলায় প্রকাশিত নতুন বইগুলোর মধ্যে পাঠকের নজর কেড়েছে ডা. হুমায়ুন কবীর হিমুর প্রথম বই ছোটদের ফার্স্ট এইড। দৈনন্দিন জীবনে নানা দুর্ঘটনা বা অসুস্থতার মুহূর্তে সঠিক প্রাথমিক চিকিৎসা জানা না থাকায় অনেক সময় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। রাস্তায় চলতে গিয়ে কারও খিঁচুনি হলে অনেকেই ভিড় করে দাঁড়িয়ে থাকেন, কেউ কেউ আবার নাকে জুতা ধরার মতো কুসংস্কারাচ্ছন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করেন। দাঁত লেগে গেলে মুখে আঙুল ঢুকিয়ে দাঁত ছাড়ানোর চেষ্টাও দেখা যায়। অথচ এসবের কোনোটিই বিজ্ঞানসম্মত নয়। একইভাবে খাবার খাওয়ার সময় শ্বাসনালীতে খাবার আটকে যাওয়া বা পানিতে ডুবে যাওয়ার মতো ঘটনাও প্রায়ই ঘটে। অনেক ক্ষেত্রে সঠিক প্রাথমিক চিকিৎসা জানা থাকলে এসব পরিস্থিতিতে মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব। এই বাস্তবতা মাথায় রেখেই শিশু-কিশোরদের জন্য লেখা হয়েছে ছোটদের ফার্স্ট এইড বইটি। সহজ ভাষায় রচিত বইটিতে প্রায় ৫০টির মতো জরুরি চিকিৎসা প
দীর্ঘ ১৮ দিনের আয়োজন শেষে রোববার শেষ হয়েছে অমর একুশে বইমেলা ২০২৬। শেষ দিনেও পাঠকদের ভিড়ে মুখর ছিল বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। নতুন বই খোঁজা আর প্রিয় লেখকের বই সংগ্রহে ব্যস্ত ছিলেন বইপ্রেমীরা। এ বছর মেলায় প্রকাশিত নতুন বইগুলোর মধ্যে পাঠকের নজর কেড়েছে ডা. হুমায়ুন কবীর হিমুর প্রথম বই ছোটদের ফার্স্ট এইড।
দৈনন্দিন জীবনে নানা দুর্ঘটনা বা অসুস্থতার মুহূর্তে সঠিক প্রাথমিক চিকিৎসা জানা না থাকায় অনেক সময় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। রাস্তায় চলতে গিয়ে কারও খিঁচুনি হলে অনেকেই ভিড় করে দাঁড়িয়ে থাকেন, কেউ কেউ আবার নাকে জুতা ধরার মতো কুসংস্কারাচ্ছন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করেন। দাঁত লেগে গেলে মুখে আঙুল ঢুকিয়ে দাঁত ছাড়ানোর চেষ্টাও দেখা যায়। অথচ এসবের কোনোটিই বিজ্ঞানসম্মত নয়।
একইভাবে খাবার খাওয়ার সময় শ্বাসনালীতে খাবার আটকে যাওয়া বা পানিতে ডুবে যাওয়ার মতো ঘটনাও প্রায়ই ঘটে। অনেক ক্ষেত্রে সঠিক প্রাথমিক চিকিৎসা জানা থাকলে এসব পরিস্থিতিতে মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব।
এই বাস্তবতা মাথায় রেখেই শিশু-কিশোরদের জন্য লেখা হয়েছে ছোটদের ফার্স্ট এইড বইটি। সহজ ভাষায় রচিত বইটিতে প্রায় ৫০টির মতো জরুরি চিকিৎসা পদ্ধতি তুলে ধরা হয়েছে। শিশুদের উপযোগী উপস্থাপনার কারণে তারা সহজেই প্রাথমিক চিকিৎসার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শিখে নিতে পারবে।
লেখকের মতে, ছোটবেলা থেকেই শিশুদের জরুরি চিকিৎসা সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া গেলে তারা কুসংস্কার ভেঙে বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ করতে শিখবে। প্রয়োজনে তারাই অন্যের বিপদে এগিয়ে এসে জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।
১১টি অধ্যায়ে সাজানো বইটিতে ফার্স্ট এইড চিকিৎসার নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে। বইটির প্রকাশক ঐতিহ্য প্রকাশনীর শিশুতোষ শাখা ‘কাকাতুয়া’। প্রচ্ছদ করেছেন সেলিম হোসেন সাজু।
What's Your Reaction?