ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা মাঞ্জিল হায়দার ফের রিমান্ডে

হত্যা মামলার পর এবার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক কর্মকর্তা মেজর (অব.) মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরীকে রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। নতুন করে তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় মাঞ্জিল হায়দার পাঁচদিনের রিমান্ডে ছিলেন। তারও আগে হত্যা মামলায় তিন দফায় মোট ১২ দিন রিমান্ডে নেওয়া হয় তাকে। তদন্ত কর্মকর্তা রমনা গোয়েন্দা বিভাগের উপ-পরিদর্শক আমজাদ হোসেন তালুকদার আদালতে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ দাবি করে, জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিললেও তা এখনো অসম্পূর্ণ রয়েছে। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে আরও সময় প্রয়োজন বলে যুক্তি দেয় প্রসিকিউশন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী কামাল হোসেন রিমান্ড বাতিল চেয়ে বলেন, একই ঘটনায় ধারাবাহিকভাবে একাধিক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে দীর্ঘ সময় রিমান্ডে রাখা হচ্ছে, যা ন্যায়সঙ্গত নয়। ত

ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা মাঞ্জিল হায়দার ফের রিমান্ডে

হত্যা মামলার পর এবার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক কর্মকর্তা মেজর (অব.) মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরীকে রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। নতুন করে তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

রোববার (২৬ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় মাঞ্জিল হায়দার পাঁচদিনের রিমান্ডে ছিলেন। তারও আগে হত্যা মামলায় তিন দফায় মোট ১২ দিন রিমান্ডে নেওয়া হয় তাকে।

তদন্ত কর্মকর্তা রমনা গোয়েন্দা বিভাগের উপ-পরিদর্শক আমজাদ হোসেন তালুকদার আদালতে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ দাবি করে, জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিললেও তা এখনো অসম্পূর্ণ রয়েছে। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে আরও সময় প্রয়োজন বলে যুক্তি দেয় প্রসিকিউশন।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী কামাল হোসেন রিমান্ড বাতিল চেয়ে বলেন, একই ঘটনায় ধারাবাহিকভাবে একাধিক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে দীর্ঘ সময় রিমান্ডে রাখা হচ্ছে, যা ন্যায়সঙ্গত নয়। তিনি আরও দাবি করেন, তার মক্কেল দীর্ঘদিন সেনাবাহিনীতে সুনামের সঙ্গে চাকরি করেছেন এবং বর্তমানে অসুস্থ।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ৯ এপ্রিল মহাখালীর ডিওএইচএস এলাকা থেকে মাঞ্জিল হায়দারকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন নিউমার্কেট থানার হত্যা মামলায় তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং বিভিন্ন স্থানে গোপন বৈঠক আয়োজন। এছাড়া পলাতক আসামিদের সঙ্গে তার যোগাযোগ থাকার বিষয়টিও তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়।

২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নীলক্ষেত এলাকায় আন্দোলনের সময় গুলিতে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ নিহত হন। এ ঘটনায় করা মামলায় একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র উদঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেফতারের স্বার্থে মাঞ্জিল হায়দারকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। 

এমডিএএ/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow