ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় দুই নারী ও এক শিশুর মৃত্যু
এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন নারী ও একজন শিশু রয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৭ জনে। এছাড়া, নতুন ৩৭২ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। যার ফলে বর্তমানে চিকিৎসাধীন মোট রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে এক হাজার ৩৪ জনে। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪৮৩ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন ঢাকা বিভাগে। আরও পড়ুন ডেঙ্গুতে আরও ১ প্রাণহানি, চিকিৎসাধীন হাজারের বেশি সোমবার (২০ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন মারা যাওয়া রোগীদের মধ্যে একজন কন্যাশিশু, যার বয়স শূন্য থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে এবং দুজন নারী, যাদের একজনের বয়স ৩১ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে ও আরেকজনের বয়স ৪৬ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। এ পর্যন্ত ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ৮৪৭ জন। তাদের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন নয় হাজার ৭৮৬ জন। আরও পড়ুন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯১২ এ পর্যন্ত মারা যাওয়াদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মোট ৩৭ জনের মধ্যে নারী ২২ জন বা ৫৫ দশমিক ৫ শতাংশ এবং পুরুষ ১৫ জন বা
এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন নারী ও একজন শিশু রয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৭ জনে।
এছাড়া, নতুন ৩৭২ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। যার ফলে বর্তমানে চিকিৎসাধীন মোট রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে এক হাজার ৩৪ জনে। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪৮৩ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন ঢাকা বিভাগে।
সোমবার (২০ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন মারা যাওয়া রোগীদের মধ্যে একজন কন্যাশিশু, যার বয়স শূন্য থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে এবং দুজন নারী, যাদের একজনের বয়স ৩১ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে ও আরেকজনের বয়স ৪৬ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে।
এ পর্যন্ত ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ৮৪৭ জন। তাদের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন নয় হাজার ৭৮৬ জন।

ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯১২
এ পর্যন্ত মারা যাওয়াদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মোট ৩৭ জনের মধ্যে নারী ২২ জন বা ৫৫ দশমিক ৫ শতাংশ এবং পুরুষ ১৫ জন বা ৪০ দশমিক ৫ শতাংশ।
ঢাকা বিভাগের ক্ষেত্রে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে ১২, উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে ছয় ও সিটি করপোরেশনের বাইরে একজন প্রাণ হারিয়েছেন। সেই সঙ্গে ময়মনসিংহে পাঁচ, চট্টগ্রামে চারজন ও খুলনায় পাঁচজন, বরিশালে তিন ও রাজশাহীতে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
ইএ
What's Your Reaction?
