ঢাকার যানজট কমাতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মডেল সমীক্ষার নির্দেশ

রাজধানীর তীব্র যানজট নিরসনে ‘জিরো সিগন্যাল ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট মডেল’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (ফিজিবিলিটি স্টাডি) পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে (ডিএমপি)। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-২ শাখা থেকে পুলিশের মহাপরিদর্শককে পাঠানো এক পত্রের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, ঢাকা শহরের যানজট নিরসনকল্পে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে সরকারের অগ্রাধিকার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইনোভেশন টিম কর্তৃক প্রস্তাবিত ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে ‘জিরো সিগন্যাল ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট মডেল’-এর আওতায় ঢাকা শহরের উত্তর-দক্ষিণে অবস্থিত প্রধান ৫টি সড়কে এবং পূর্ব-পশ্চিম তিনটি সড়কে ১০৫ কিলোমিটার রাস্তা জিরো সিগন্যালের আওতায় আনা প্রয়োজন। এ মডেলের আওতায় ১০৫ কিলোমিটার রাস্তায় বিদ্যমান ইন্টারসেকশনগুলোর মধ্যে ৩৭ টি স্থানে ওভারপাস বা আন্ডারপাস, আন্ডারপাস বা ওভারপাস ইন্টারচেঞ্জ, ইউলুপ এবং ইউলুপ ইন্টারচেঞ্জ নির্মাণের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন ও নির্বিঘ্নে যান চলাচল করা সম্ভব হবে। রিকশাসহ অন্যান্য ধীরগতির যানবাহনের জন্য লোকা

ঢাকার যানজট কমাতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মডেল সমীক্ষার নির্দেশ

রাজধানীর তীব্র যানজট নিরসনে ‘জিরো সিগন্যাল ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট মডেল’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (ফিজিবিলিটি স্টাডি) পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে (ডিএমপি)।

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-২ শাখা থেকে পুলিশের মহাপরিদর্শককে পাঠানো এক পত্রের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, ঢাকা শহরের যানজট নিরসনকল্পে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে সরকারের অগ্রাধিকার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইনোভেশন টিম কর্তৃক প্রস্তাবিত ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে ‘জিরো সিগন্যাল ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট মডেল’-এর আওতায় ঢাকা শহরের উত্তর-দক্ষিণে অবস্থিত প্রধান ৫টি সড়কে এবং পূর্ব-পশ্চিম তিনটি সড়কে ১০৫ কিলোমিটার রাস্তা জিরো সিগন্যালের আওতায় আনা প্রয়োজন।

এ মডেলের আওতায় ১০৫ কিলোমিটার রাস্তায় বিদ্যমান ইন্টারসেকশনগুলোর মধ্যে ৩৭ টি স্থানে ওভারপাস বা আন্ডারপাস, আন্ডারপাস বা ওভারপাস ইন্টারচেঞ্জ, ইউলুপ এবং ইউলুপ ইন্টারচেঞ্জ নির্মাণের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন ও নির্বিঘ্নে যান চলাচল করা সম্ভব হবে।

রিকশাসহ অন্যান্য ধীরগতির যানবাহনের জন্য লোকাল লেন ব্যবহার করা এবং মানুষ পারাপারের জন্য প্রয়োজনীয় ফুটওভার ব্রিজ বা আন্ডারপাস ওয়াকওয়ের সংস্থান রাখা প্রয়োজন মর্মে প্রতীয়মান হয়।

সে প্রেক্ষাপটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের সভাপতিত্বে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে গত ১২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ‘সিগন্যাল ম্যানেজমেন্ট মডেল’ বাস্তবায়ন বিষয়ক করণীয় নির্ধারণে একটি টেকনিক্যাল উপকমিটি গঠন করা হয়।

বর্ণিত টেকনিক্যাল উপকমিটির সভা গত ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সকল অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে স্বল্পমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি সুপারিশ প্রণয়ন করা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ ও মতামত পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গত ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রেরণ করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বর্ণিত দু’টি সভার অন্যতম সিদ্ধান্ত হচ্ছে— ঢাকা শহরের ১০৫ কিলোমিটার রাস্তায় ‘সিগনাল ম্যানেজমেন্ট মডেল’ বাস্তবায়নের নিমিত্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক একটি ফিজিবিলিটি স্টাডি সম্পন্ন করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষে ফোকাল পারসন হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ও চিফ ইনোভেশন কর্মকর্তা আবদুল্লাহ হাককানীকে মনোনীত করা হয়েছে।

এমতাবস্থায়, ঢাকা শহরের ১০৫ কিলোমিটার রাস্তায় ‘সিগনাল ম্যানেজমেন্ট মডেল’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (ফিজিবিলিটি ষ্টাডি) সম্পন্ন করার নিমিত্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র : বাসস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow