ঢাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা, শিক্ষক সুদীপকে কারাগারে আটকের আবেদন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক কাজী ইকবাল হোসেন এ আবেদন করেন। এ বিষয়ে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি হবে। পুলিশের আবেদনে বলা হয়েছে, তদন্তকালে এজাহারনামীয় আসামি সুদীপ চক্রবর্তীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার ৩টা ২০ মিনিটে উত্তর বাড্ডা থেকে আটক করে হেফাজতে নেওয়া হয়। তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মামলার ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে৷ তার নাম/ঠিকানা যাচাই প্রক্রিয়াধীন। এমতাবস্থায় মামলাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে তদন্ত কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেল হাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। উল্লেখ্য যে, মামলা তদন্তের স্বার্থে ভবিষ্যতে তার রিমান্ডের প্রয়োজন হতে পারে। এর আগে রোববার রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় নিজ বাসায় ঢা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক কাজী ইকবাল হোসেন এ আবেদন করেন। এ বিষয়ে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি হবে।
পুলিশের আবেদনে বলা হয়েছে, তদন্তকালে এজাহারনামীয় আসামি সুদীপ চক্রবর্তীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার ৩টা ২০ মিনিটে উত্তর বাড্ডা থেকে আটক করে হেফাজতে নেওয়া হয়। তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মামলার ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে৷ তার নাম/ঠিকানা যাচাই প্রক্রিয়াধীন। এমতাবস্থায় মামলাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে তদন্ত কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেল হাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। উল্লেখ্য যে, মামলা তদন্তের স্বার্থে ভবিষ্যতে তার রিমান্ডের প্রয়োজন হতে পারে।
এর আগে রোববার রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় নিজ বাসায় ঢাবি শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় একটি চিরকুট পাওয়া যায়। সেখানে লেখা ছিল, ‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো। স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া...।’
পরে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে সুদীপ চক্রবর্তীকে আসামি করে মামলা করা হয়। এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।
What's Your Reaction?