তন্বীর রক্তমাখা ছবি নিয়ে ‘প্রোপাগান্ডা’ চলছে, দাবি সর্বমিত্র চাকমার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক সানজিদা আহমেদ তন্বীর আলোচিত রক্তমাখা ছবি নিয়ে ‘প্রোপাগান্ডা’ চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ওই হামলায় জড়িতদের মধ্যে এখনো কোনো অনুশোচনা বা ক্ষমা চাওয়ার মানসিকতা দেখা যায়নি। শুক্রবার (১৭ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। পোস্টে সর্বমিত্র চাকমা লিখেছেন, ডাকসুর গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক সানজিদা আহমেদ তন্বীর ‘রক্তমাখা ছবি’ আন্দোলনকারীদের জন্য এক অনন্য অনুপ্রেরণা ছিল। আহতদের যেসব ছবি দেখে সারা দেশের মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েছিল এবং নাড়া খেয়েছিল, তন্বীর ছবিটি সেগুলোর অন্যতম। সর্বমিত্র চাকমার ভাষ্য, ওই ছবির মাধ্যমে মানুষের সামনে যেন একজন আহত তরুণীর কান্না ও অসহায়ত্ব জীবন্ত হয়ে উঠেছিল। তিনি আরও অভিযোগ করেন, যারা তন্বীর ওপর হামলা চালিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে এখনো কোনো অনুশোচনা নেই, বরং তারা সেই ছবি নিয়েই প্রোপাগান্ডায় লিপ্ত।  তার ভাষায়, পরাজিত শক্তির কাছ থেকে এর বেশি কিছু আশা করা যায় না। পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন, একটি স্বনামধন্য বিশ্ব

তন্বীর রক্তমাখা ছবি নিয়ে ‘প্রোপাগান্ডা’ চলছে, দাবি সর্বমিত্র চাকমার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক সানজিদা আহমেদ তন্বীর আলোচিত রক্তমাখা ছবি নিয়ে ‘প্রোপাগান্ডা’ চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ওই হামলায় জড়িতদের মধ্যে এখনো কোনো অনুশোচনা বা ক্ষমা চাওয়ার মানসিকতা দেখা যায়নি।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

পোস্টে সর্বমিত্র চাকমা লিখেছেন, ডাকসুর গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক সানজিদা আহমেদ তন্বীর ‘রক্তমাখা ছবি’ আন্দোলনকারীদের জন্য এক অনন্য অনুপ্রেরণা ছিল। আহতদের যেসব ছবি দেখে সারা দেশের মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েছিল এবং নাড়া খেয়েছিল, তন্বীর ছবিটি সেগুলোর অন্যতম।

সর্বমিত্র চাকমার ভাষ্য, ওই ছবির মাধ্যমে মানুষের সামনে যেন একজন আহত তরুণীর কান্না ও অসহায়ত্ব জীবন্ত হয়ে উঠেছিল।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, যারা তন্বীর ওপর হামলা চালিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে এখনো কোনো অনুশোচনা নেই, বরং তারা সেই ছবি নিয়েই প্রোপাগান্ডায় লিপ্ত। 

তার ভাষায়, পরাজিত শক্তির কাছ থেকে এর বেশি কিছু আশা করা যায় না।

পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন, একটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকও এ ধরনের ‘প্রোপাগান্ডায়’ যুক্ত হয়েছেন। 

বিষয়টিকে তিনি ‘অত্যন্ত নিন্দনীয় ও দুঃখজনক’ বলে উল্লেখ করেন।

তবে সর্বমিত্র চাকমা তার পোস্টে কোনো ব্যক্তি বা অধ্যাপকের নাম উল্লেখ করেননি। এ ছাড়া তার উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow