তরুণকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষককে গণপিটুনি

গাইবান্ধার সাঘাটায় একটি মাদ্রাসার অফিস কক্ষে এক তরুণকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষককে গণপিটুনি দিয়েছে স্থানীয় জনতা। শুক্রবার (৫ জুন) সকালে বোনারপাড়া ইউনিয়নের শিমুলতাইড় গ্রামের রেলওয়ে বানমারি মাঠ সংলগ্ন এলাকার একটি মাদ্রাসায় ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত রবিউল ইসলাম (২৬) প্রায় এক মাস আগে মাদ্রাসাটিতে যোগ দেন। তিনি গাইবান্ধা সদর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। ‎ ‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জামিয়া কারমিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসার অফিস কক্ষে রবিউল ইসলাম এক শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বলাৎকারের চেষ্টা করেন। এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে অভিযুক্তকে হাতে নাতে আটক করেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পরে অভিযুক্তকে পুলিশ ভ্যানে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থনীয় জনগণ তাকে মাকে চারদিকে থেকে পুলিশের সামনেই মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে মাটিতে ফেলে গণপিটুনি শুরু করে স্থানীয় জনতা। পরে পুলিশ জনগণের বাধা উপেক্ষা করে পুলিশ ভ্যানে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে সাঘাটা থানায় নিয়ে যান। ‎ ‎প্রত্যক্ষদর্শী মাহাবুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাত্রটির সঙ্গ

তরুণকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষককে গণপিটুনি

গাইবান্ধার সাঘাটায় একটি মাদ্রাসার অফিস কক্ষে এক তরুণকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষককে গণপিটুনি দিয়েছে স্থানীয় জনতা।

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে বোনারপাড়া ইউনিয়নের শিমুলতাইড় গ্রামের রেলওয়ে বানমারি মাঠ সংলগ্ন এলাকার একটি মাদ্রাসায় ঘটনাটি ঘটে।

অভিযুক্ত রবিউল ইসলাম (২৬) প্রায় এক মাস আগে মাদ্রাসাটিতে যোগ দেন। তিনি গাইবান্ধা সদর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জামিয়া কারমিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসার অফিস কক্ষে রবিউল ইসলাম এক শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বলাৎকারের চেষ্টা করেন। এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে অভিযুক্তকে হাতে নাতে আটক করেন।

একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পরে অভিযুক্তকে পুলিশ ভ্যানে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থনীয় জনগণ তাকে মাকে চারদিকে থেকে পুলিশের সামনেই মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে মাটিতে ফেলে গণপিটুনি শুরু করে স্থানীয় জনতা। পরে পুলিশ জনগণের বাধা উপেক্ষা করে পুলিশ ভ্যানে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে সাঘাটা থানায় নিয়ে যান।

‎প্রত্যক্ষদর্শী মাহাবুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাত্রটির সঙ্গে জোর করে ‘খারাপ’ কাজ করতে শুরু করলে ছাত্রটি চিৎকার করে। পরে স্থানীয়রা টের পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হাতেনাতে আটক করে এবং গণপিটুনি দেয়।

সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান কালবেলাকে বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে এলাকাবাসী আটকে রেখেছিল। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow