তালাবদ্ধ ঘর থেকে ১৫ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধার
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে প্রায় ৩০ কেজি ওজনের ১৫ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (০১ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে পৌর শহরের আরামবাগ এলাকার মাওলানা মঞ্জিল নামক বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে আরামবাগ এলাকার ওই বাড়িতে মাদক কেনাবেচা চলছে এমন গোপন সংবাদ ছিল পুলিশের কাছে। এরই প্রেক্ষিতে মঠবাড়িয়া থানার একটি বিশেষ টিম মো. নাসিরের মালিকানাধীন মাওলানা মঞ্জিল নামক বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া সাজেদুল রহমান মজিদের তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে কসটেপ মোড়ানো অবস্থায় গাঁজাগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে আমরা প্রায় ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছি। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা। মাদক ব্যবসায়ীদের আটকে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, মঠবাড়িয়াকে মাদকমুক্ত করতে পুলিশের জিরো টলারেন্
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে প্রায় ৩০ কেজি ওজনের ১৫ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (০১ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে পৌর শহরের আরামবাগ এলাকার মাওলানা মঞ্জিল নামক বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে আরামবাগ এলাকার ওই বাড়িতে মাদক কেনাবেচা চলছে এমন গোপন সংবাদ ছিল পুলিশের কাছে। এরই প্রেক্ষিতে মঠবাড়িয়া থানার একটি বিশেষ টিম মো. নাসিরের মালিকানাধীন মাওলানা মঞ্জিল নামক বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া সাজেদুল রহমান মজিদের তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে কসটেপ মোড়ানো অবস্থায় গাঁজাগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে আমরা প্রায় ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছি। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা। মাদক ব্যবসায়ীদের আটকে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মঠবাড়িয়াকে মাদকমুক্ত করতে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?