তেলের বাজার স্থিতিশীল হতে ২০২৭ সাল পর্যন্ত লাগতে পারে

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রস্তাব নিয়ে বড় ধরনের মতপার্থক্য দেখা দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আবারও বেড়েছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩ দশমিক ৪৭ ডলার বা ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১০৭ দশমিক ৬৮ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৩ দশমিক ৫৪ ডলার বা ৩ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১০১ দশমিক ৬১ ডলারে। কমার্জব্যাংকের বিশ্লেষক ক্যার্স্টিন ফ্রিক বলেন, উভয় পক্ষ একে অপরের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা আবারও বাড়ছে। এদিকে সৌদি আরামকোর প্রধান নির্বাহী আমিন নাসের সোমবার সতর্ক করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল রপ্তানিতে বিঘ্ন ঘটলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরতে ২০২৭ সাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এতে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১০ কোটি ব্যারেল তেল সরবরাহ হারানোর ঝুঁকি রয়েছে। কেসিএম ট্রেডের বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, শান্তি চুক্তির দিকে প্রকৃত অগ্রগতি হলে তেলের দামে ৮ থেকে ১২ ডলারের বড় ধরনের সংশোধন আসতে পারে

তেলের বাজার স্থিতিশীল হতে ২০২৭ সাল পর্যন্ত লাগতে পারে

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রস্তাব নিয়ে বড় ধরনের মতপার্থক্য দেখা দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আবারও বেড়েছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩ দশমিক ৪৭ ডলার বা ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১০৭ দশমিক ৬৮ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৩ দশমিক ৫৪ ডলার বা ৩ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১০১ দশমিক ৬১ ডলারে।

কমার্জব্যাংকের বিশ্লেষক ক্যার্স্টিন ফ্রিক বলেন, উভয় পক্ষ একে অপরের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা আবারও বাড়ছে।

এদিকে সৌদি আরামকোর প্রধান নির্বাহী আমিন নাসের সোমবার সতর্ক করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল রপ্তানিতে বিঘ্ন ঘটলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরতে ২০২৭ সাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এতে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১০ কোটি ব্যারেল তেল সরবরাহ হারানোর ঝুঁকি রয়েছে।

কেসিএম ট্রেডের বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, শান্তি চুক্তির দিকে প্রকৃত অগ্রগতি হলে তেলের দামে ৮ থেকে ১২ ডলারের বড় ধরনের সংশোধন আসতে পারে।

তবে উত্তেজনা বৃদ্ধি বা আবার অবরোধের হুমকি দেখা দিলে ব্রেন্টের দাম দ্রুত ১১৫ ডলারের ওপরে উঠে যেতে পারে।

সূত্র: আল-জাজিরা

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow