তেল কেলেঙ্কারির পর পুলিশ নিয়ে বিরূপ মন্তব্য, বিপাকে জেলা প্রশাসনের ড্রাইভার
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেশের পুলিশ বাহিনী নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে বিপাকে পড়েছেন মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের গাড়িচালক আব্দুল কুদ্দুস মিয়া। স্থানীয়ভাবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। অনেকেই একজন সরকারি কর্মচারীর আচরণ, দায়বদ্ধতা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। এর আগে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে কুদ্দুস মিয়া কনটেইনারে জ্বালানি তেল নেওয়ার একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়। সেসব ভিডিওর কমেন্ট বক্সে পুলিশ বাহিনী নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন কুদ্দুস মিয়া। ঘটনার বিষয়ে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার শহরের কলেজ মোড় এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে জেলা প্রশাসনের গাড়ি নিয়ে আসেন গাড়িচালক আব্দুল কুদ্দুস মিয়া। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, গাড়িতে সরাসরি তেল না নিয়ে তিনি ভেতরে রাখা কনটেইনারে জ্বালানি তেল ভরছিলেন। বিষয়টি লাইনে অপেক্ষমাণ মোটরসাইকেল আরোহীদের নজরে এলে তাদের একজন ভিডিও ধারণ শুরু করেন। এ সময় কুদ্দুস ক্ষিপ্ত হয়ে ভিডিও ধারণকারীর ওপর চড়াও হন এবং মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল সেই ভিডিওর মন্তব্যের ঘর
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেশের পুলিশ বাহিনী নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে বিপাকে পড়েছেন মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের গাড়িচালক আব্দুল কুদ্দুস মিয়া। স্থানীয়ভাবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। অনেকেই একজন সরকারি কর্মচারীর আচরণ, দায়বদ্ধতা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
এর আগে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে কুদ্দুস মিয়া কনটেইনারে জ্বালানি তেল নেওয়ার একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়। সেসব ভিডিওর কমেন্ট বক্সে পুলিশ বাহিনী নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন কুদ্দুস মিয়া।
ঘটনার বিষয়ে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার শহরের কলেজ মোড় এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে জেলা প্রশাসনের গাড়ি নিয়ে আসেন গাড়িচালক আব্দুল কুদ্দুস মিয়া।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, গাড়িতে সরাসরি তেল না নিয়ে তিনি ভেতরে রাখা কনটেইনারে জ্বালানি তেল ভরছিলেন। বিষয়টি লাইনে অপেক্ষমাণ মোটরসাইকেল আরোহীদের নজরে এলে তাদের একজন ভিডিও ধারণ শুরু করেন।
এ সময় কুদ্দুস ক্ষিপ্ত হয়ে ভিডিও ধারণকারীর ওপর চড়াও হন এবং মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল সেই ভিডিওর মন্তব্যের ঘরে অশালীন ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানান আব্দুল কুদ্দুস মিয়া। তার এমন মন্তব্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
কারণ, সরকারি কর্মচারীদের আচরণবিধি অনুযায়ী দায়িত্ব পালনকালে শালীনতা, ভদ্রতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। সাধারণ জনগণের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা অন্য কোনো সরকারি বাহিনীকে হেয় করা এসব নীতিমালার পরিপন্থি। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে এমন মন্তব্য থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী, এ ধরনের আচরণ ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হতে পারে এবং বিভাগীয় ব্যবস্থার আওতায় সতর্কতা থেকে শুরু করে চাকরিচ্যুতি পর্যন্ত শাস্তির বিধান রয়েছে।
মেহেরপুর জেলা পুলিশের মিডিয়া ফোকাল পারসন এবং অতিরিক্ত সুপার জামিনুর রহমান খান কালবেলাকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা এখনই কোনো মন্তব্য করব না।
মেহেরপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদ কালবেলাকে বলেন, ড্রাইভারের বিষয়টি তার সরাসরি নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। জেলা প্রশাসনের গাড়ি-সংক্রান্ত বিষয়গুলো এডিসি (নেজারত) ও এডিসি (জেনারেল) তত্ত্বাবধান করেন এবং বিষয়টি তাদের অবগত করা হয়েছে।
তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
What's Your Reaction?