তেল সংকটের জেরে পাম্পে উত্তেজনা, অস্ত্র দেখিয়ে হুমকি

জার-টেকনাফ মহাসড়কের ব্যস্ত পথ। দুপুরের রোদে পেট্রোল পাম্পে স্বাভাবিক ভিড়। এর মাঝেই হঠাৎ উত্তেজনা। অতিরিক্ত জ্বালানি তেল না পেয়ে এক ইটভাটা মালিক গাড়ি থেকে শটগান বের করে কর্মচারীদের দিকে তেড়ে যান। কয়েক মিনিটের সেই উত্তেজনায় থমকে যায় পুরো পাম্প এলাকা, ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে রামু উপজেলার মরিচ্যা বিজিবি ক্যাম্পসংলগ্ন এশিয়া পেট্রোল পাম্পে এ ঘটনা ঘটে। পাম্প সূত্র জানায়, স্থানীয় ‘বিকে আজম ব্রিক ফিল্ড’-এর মালিক বি কে আজম নির্ধারিত বরাদ্দের বাইরে অতিরিক্ত জ্বালানি তেল দাবি করেন। কিন্তু উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী তখনও রেশনিং পদ্ধতির বাইরে তেল সরবরাহ করা হচ্ছিল না। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে গাড়ি থেকে শটগান বের করেন এবং পাম্পকর্মীদের দিকে এগিয়ে যান। পাম্পটির ম্যানেজার নুরুল হক নুরু বলেন, আমরা নিয়মের বাইরে তেল দিতে পারি না জানালে তিনি রেগে যান। একপর্যায়ে অস্ত্র বের করে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন। তখন কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার সময় আশপাশের লোকজন দ্রুত জড়ো হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি, তবে পাম্প এলাকায় কিছু সময়ের জন্য

তেল সংকটের জেরে পাম্পে উত্তেজনা, অস্ত্র দেখিয়ে হুমকি

জার-টেকনাফ মহাসড়কের ব্যস্ত পথ। দুপুরের রোদে পেট্রোল পাম্পে স্বাভাবিক ভিড়। এর মাঝেই হঠাৎ উত্তেজনা। অতিরিক্ত জ্বালানি তেল না পেয়ে এক ইটভাটা মালিক গাড়ি থেকে শটগান বের করে কর্মচারীদের দিকে তেড়ে যান। কয়েক মিনিটের সেই উত্তেজনায় থমকে যায় পুরো পাম্প এলাকা, ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে রামু উপজেলার মরিচ্যা বিজিবি ক্যাম্পসংলগ্ন এশিয়া পেট্রোল পাম্পে এ ঘটনা ঘটে।

পাম্প সূত্র জানায়, স্থানীয় ‘বিকে আজম ব্রিক ফিল্ড’-এর মালিক বি কে আজম নির্ধারিত বরাদ্দের বাইরে অতিরিক্ত জ্বালানি তেল দাবি করেন। কিন্তু উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী তখনও রেশনিং পদ্ধতির বাইরে তেল সরবরাহ করা হচ্ছিল না। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে গাড়ি থেকে শটগান বের করেন এবং পাম্পকর্মীদের দিকে এগিয়ে যান।

পাম্পটির ম্যানেজার নুরুল হক নুরু বলেন, আমরা নিয়মের বাইরে তেল দিতে পারি না জানালে তিনি রেগে যান। একপর্যায়ে অস্ত্র বের করে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন। তখন কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার সময় আশপাশের লোকজন দ্রুত জড়ো হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি, তবে পাম্প এলাকায় কিছু সময়ের জন্য থমথমে অবস্থা বিরাজ করে।

অভিযোগের বিষয়ে ইটভাটা মালিক বি কে আজম বলেন, ইটখোলার কাজের জন্য তেল দরকার ছিল। না পেয়ে রাগের মাথায় অস্ত্র দেখিয়েছি। গুলি করার কোনো ইচ্ছা ছিল না।

এদিকে, ঘটনাটিকে বিচ্ছিন্ন বলে মনে করছেন প্রশাসন। রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে রাব্বানী চৌধুরী বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির জেরেই ঘটনাটি ঘটেছে। রেশনিং পদ্ধতি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হলেও তা মাঠপর্যায়ে পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow