‘তোমাকে ছাড়া বাঁচব না’, অতঃপর প্রেমিকের হাতে হাতকড়া
দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কে বিচ্ছেদের রায় শুনে গ্রাম আদালতের বিচারকের সামনেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন এক যুগল। ‘তোমাকে ছাড়া বাঁচব না’ বলে একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন তারা।
চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার রৌমারী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে। পরে পুলিশ এসে প্রেমিক কবির হোসেনকে (১৯) গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।
গ্রেপ্তার কবির হোসেন উপজেলার রৌমারী সদর ইউনিয়নের বাওয়ার গ্রামের জাইদুল ইসলামের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি কলেজের শিক্ষার্থী।
শুক্রবার (৮ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ওই যুগলের জড়িয়ে ধরার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, তরুণ-তরুণী একে অপরকে জড়িয়ে ধরে অঝোরে কাঁদছেন। উপস্থিত বেশ কিছু নারী-পুরুষ তাদের জোর করে আলাদা করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত পুলিশের হস্তক্ষেপে তাদের আলাদা করা হয় এবং তরুণকে হেফাজতে নেওয়া হয়।
জানা যায়, গত ২৭ এপ্রিল ওই তরুণ-তরুণী ঘর ছেড়ে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় গত ৩ মে তরুণীর মা বাদী হয়ে কবির হোসেনসহ ৭ জনের নামে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার স্বজনরা তাদের খুঁজে বের করে বিষয়টি মিমাংসার জন্য রৌমারী ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম-আদালতে নিয়ে যান।
ইউনিয়ন প
দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কে বিচ্ছেদের রায় শুনে গ্রাম আদালতের বিচারকের সামনেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন এক যুগল। ‘তোমাকে ছাড়া বাঁচব না’ বলে একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন তারা।
চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার রৌমারী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে। পরে পুলিশ এসে প্রেমিক কবির হোসেনকে (১৯) গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।
গ্রেপ্তার কবির হোসেন উপজেলার রৌমারী সদর ইউনিয়নের বাওয়ার গ্রামের জাইদুল ইসলামের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি কলেজের শিক্ষার্থী।
শুক্রবার (৮ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ওই যুগলের জড়িয়ে ধরার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, তরুণ-তরুণী একে অপরকে জড়িয়ে ধরে অঝোরে কাঁদছেন। উপস্থিত বেশ কিছু নারী-পুরুষ তাদের জোর করে আলাদা করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত পুলিশের হস্তক্ষেপে তাদের আলাদা করা হয় এবং তরুণকে হেফাজতে নেওয়া হয়।
জানা যায়, গত ২৭ এপ্রিল ওই তরুণ-তরুণী ঘর ছেড়ে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় গত ৩ মে তরুণীর মা বাদী হয়ে কবির হোসেনসহ ৭ জনের নামে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার স্বজনরা তাদের খুঁজে বের করে বিষয়টি মিমাংসার জন্য রৌমারী ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম-আদালতে নিয়ে যান।
ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও গ্রাম আদালতের বিচারক আব্দুর রাজ্জাক দুই পরিবারের সম্মতিতে তাদের প্রেমের সম্পর্ক বিচ্ছেদের রায় ঘোষণা করেন। এই রায় শোনার পরপরই তরুণ-তরুণী আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এবং একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা করেও উপস্থিত লোকজন তাদের আলাদা করতে না পারায় খবর দেওয়া হয় পুলিশে। যেহেতু তরুণীর মায়ের দায়ের করা মামলায় কবির প্রধান আসামি, তাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
এ বিষয়ে রৌমারী সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক কালবেলাকে বলেন, উভয় পরিবারের সিদ্ধান্ত ও সম্মতির ভিত্তিতেই আমরা তাদের আলাদা থাকার নির্দেশ দিয়েছিলাম। কিন্তু তরুণ-তরুণী সেই সিদ্ধান্ত মানতে রাজি ছিল না এবং তারা অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে।
থানায় মামলা থাকার বিষয়ে নিজের অনবগতির কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ওই তরুণের বিরুদ্ধে থানায় আগে থেকেই অপহরণ মামলা ছিল, যা আমার জানা ছিল না। বিষয়টি জানলে হয়তো ইউনিয়ন পরিষদে এই মিমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হতো না। যেহেতু সে মামলার আসামি, তাই পুলিশ এসে তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে।
রৌমারী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরমান কালবেলাকে জানান, অপহরণ মামলায় এ পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং ভিকটিম তরুণীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।