ত্বকের যত্নে চালের গুঁড়াতেই মিলতে পারে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা
ত্বকের যত্ন নিতে এখন অনেকেই ভরসা রাখছেন ঘরোয়া উপাদানের উপর। রান্নাঘরে থাকা সাধারণ কিছু জিনিস দিয়েই ত্বকের নানা সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। আর সেই তালিকায় অন্যতম কার্যকর একটি উপাদান হলো চালের গুঁড়া। দৈনন্দিন রূপচর্চায় চালের গুঁড়ার ব্যবহার বহু পুরোনো। ত্বক পরিষ্কার রাখা থেকে শুরু করে দাগছোপ কমানো, মৃত কোষ দূর করা কিংবা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর জন্য এটি বেশ উপকারী। বিশেষজ্ঞদের মতে, চালের গুঁড়ায় থাকা প্রাকৃতিক উপাদান ত্বককে মৃদুভাবে এক্সফোলিয়েট করে। অর্থাৎ এটি ত্বকের উপরের জমে থাকা মৃত কোষ দূর করতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক আরও পরিষ্কার, মসৃণ ও উজ্জ্বল দেখায়। এছাড়া এটি সব ধরনের ত্বকের জন্যই তুলনামূলক নিরাপদ। চালের গুঁড়ার উপকারী চালের গুঁড়া ত্বকের অতিরিক্ত তেল পরিষ্কার করতে সাহায্য করে, আবার ত্বককে অতিরিক্ত শুষ্কও করে না। নাকের দুই পাশের ব্ল্যাকহেডস, রোদে পোড়া দাগ বা কালচে ভাব কমাতেও এটি কার্যকর। অনেকেই নিয়মিত স্ক্রাব হিসেবে চালের গুঁড়া ব্যবহার করেন। আরও একটি ভালো দিক হলো, চালের গুঁড়া দিয়ে মুখ পরিষ্কার করার পর ত্বক খুব বেশি টানটান লাগে না। ফলে অনেক ক্ষেত্রে আলাদা করে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করার
ত্বকের যত্ন নিতে এখন অনেকেই ভরসা রাখছেন ঘরোয়া উপাদানের উপর। রান্নাঘরে থাকা সাধারণ কিছু জিনিস দিয়েই ত্বকের নানা সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। আর সেই তালিকায় অন্যতম কার্যকর একটি উপাদান হলো চালের গুঁড়া। দৈনন্দিন রূপচর্চায় চালের গুঁড়ার ব্যবহার বহু পুরোনো। ত্বক পরিষ্কার রাখা থেকে শুরু করে দাগছোপ কমানো, মৃত কোষ দূর করা কিংবা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর জন্য এটি বেশ উপকারী।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চালের গুঁড়ায় থাকা প্রাকৃতিক উপাদান ত্বককে মৃদুভাবে এক্সফোলিয়েট করে। অর্থাৎ এটি ত্বকের উপরের জমে থাকা মৃত কোষ দূর করতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক আরও পরিষ্কার, মসৃণ ও উজ্জ্বল দেখায়। এছাড়া এটি সব ধরনের ত্বকের জন্যই তুলনামূলক নিরাপদ।
চালের গুঁড়ার উপকারী
চালের গুঁড়া ত্বকের অতিরিক্ত তেল পরিষ্কার করতে সাহায্য করে, আবার ত্বককে অতিরিক্ত শুষ্কও করে না। নাকের দুই পাশের ব্ল্যাকহেডস, রোদে পোড়া দাগ বা কালচে ভাব কমাতেও এটি কার্যকর। অনেকেই নিয়মিত স্ক্রাব হিসেবে চালের গুঁড়া ব্যবহার করেন।
আরও একটি ভালো দিক হলো, চালের গুঁড়া দিয়ে মুখ পরিষ্কার করার পর ত্বক খুব বেশি টানটান লাগে না। ফলে অনেক ক্ষেত্রে আলাদা করে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করার প্রয়োজনও পড়ে না।
চালের গুঁড়া ও মধুর ফেসপ্যাক
ত্বকের মরা কোষ দূর করতে এই প্যাকটি বেশ কার্যকর। এটি তৈরি করতে লাগবে ১ চামচ চালের গুঁড়া, ১চা চামচ ওটস, ১ চা চামচ দুধ এবং ১ চা চামচ মধু।সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এরপর পুরো মুখে লাগিয়ে প্রায় ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে এলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ওটস ত্বক পরিষ্কার করতে সাহায্য করে, আর মধু ত্বক নরম রাখে।
- আরও পড়ুন:
শুধু কালো নয়, আইলাইনারের যেসব রং বদলে দেবে লুক
ত্বকের যত্নে কীভাবে বানাবেন সুগার স্ক্রাব, জানুন সঠিক উপায়
চালের গুঁড়া ও দুধের প্যাক
ত্বককে সতেজ ও কোমল রাখতে এই প্যাক ব্যবহার করা যেতে পারে। চালের গুঁড়ার সঙ্গে ১ চা চামচ দুধ, ১ চা চামচ মধু, ১ চা চামচ শসার রস ও ১ চা চামচ গাজরের রস মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। মুখে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক ত্বকের শুষ্কভাব কমাতে এবং ত্বককে উজ্জ্বল দেখাতে সাহায্য করতে পারে।
চালের গুঁড়া ও টক দই
টক দইয়ে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। এই প্যাক তৈরি করতে ২ চামচ চালের গুঁড়া ও ৩ চামচ ঘন টক দই মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু’বার ব্যবহার করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়তে পারে এবং ত্বক আরও মসৃণ দেখায়।
চালের গুঁড়া ও শসার প্যাক
রোদে পোড়া দাগ বা ত্বকের জ্বালাভাব কমাতে শসা খুবই উপকারী। ২ চামচ চালের গুঁড়া ও ২ চামচ শসার রস মিশিয়ে মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে তিন দিন ব্যবহার করলে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ অনুভব হতে পারে।
স্ক্রাব হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন
ত্বকের মৃত কোষ দূর করতে চালের গুঁড়া দিয়ে ঘরোয়া স্ক্রাবও বানানো যায়। ১ টেবিল চামচ চালের গুঁড়া ও ১ টেবিল চামচ গাজরের রসের সঙ্গে সামান্য নারিকেল তেল ও দুই ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিন।এরপর ৫ মিনিট আলতোভাবে ত্বকে ম্যাসাজ করুন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বক পরিষ্কার ও নরম অনুভব হবে।
তবে যাদের ত্বক খুব বেশি সংবেদনশীল, তারা নতুন কোনো ফেসপ্যাক ব্যবহার করার আগে হাতে অল্প করে পরীক্ষা করে নিতে পারেন। আর অতিরিক্ত ঘষাঘষি না করাই ভালো। নিয়মিত যত্ন নিলে ঘরোয়া এই উপাদান দিয়েই ত্বককে অনেকটাই সতেজ ও উজ্জ্বল রাখা সম্ভব।
সূত্র: বি বিউটিফুল ইন্ডিয়া, টাইমস অব ইন্ডিয়া
এসএকেওয়াই
What's Your Reaction?
