ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামগ্রিকভাবে স্বচ্ছ, কারসাজিমুক্ত ও বিশ্বাসযোগ্য

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামগ্রিকভাবে স্বচ্ছ, কারসাজিমুক্ত ও বিশ্বাসযোগ্য হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন। সংগঠনটি বলছে, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে অংশগ্রহণ, প্রতিদ্বন্দ্বিতা, ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণার বিভিন্ন ধাপে তুলনামূলক স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা গেছে, যদিও কিছু সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা রয়েছে। সামগ্রিক বিচারে নির্বাচনটি গ্রহণযোগ্যতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে বলে আংশিকভাবে বলা যেতে পারে, তবে পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নের জন্য আরও বিশদ পর্যালোচনা প্রয়োজন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘সুজন-এর দৃষ্টিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে সুজনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য একরাম হোসেন এসব কথা বলেন। লিখিত বক্তব্যে একরাম হোসেন বলেন, আশার কথা হলো- নির্বাচন অপেক্ষাকৃত শান্তিপূর্ণ হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনে বিজয়ী দলের নেতা কর্তৃক পরাজিত দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা এবং পরাজিত দল কর্তৃক বিজয়ীদের অভিনন্দন জানানো নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে ওঠার পূর্বাভাস বলে মনে হচ্ছিল। কিন্তু সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেওয়া বা না নেওয়া, বিষয়কে কেন্দ্র করে বিজয়ী ও পরাজিতদ

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামগ্রিকভাবে স্বচ্ছ, কারসাজিমুক্ত ও বিশ্বাসযোগ্য

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামগ্রিকভাবে স্বচ্ছ, কারসাজিমুক্ত ও বিশ্বাসযোগ্য হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন।

সংগঠনটি বলছে, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে অংশগ্রহণ, প্রতিদ্বন্দ্বিতা, ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণার বিভিন্ন ধাপে তুলনামূলক স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা গেছে, যদিও কিছু সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা রয়েছে। সামগ্রিক বিচারে নির্বাচনটি গ্রহণযোগ্যতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে বলে আংশিকভাবে বলা যেতে পারে, তবে পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নের জন্য আরও বিশদ পর্যালোচনা প্রয়োজন।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘সুজন-এর দৃষ্টিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে সুজনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য একরাম হোসেন এসব কথা বলেন।

লিখিত বক্তব্যে একরাম হোসেন বলেন, আশার কথা হলো- নির্বাচন অপেক্ষাকৃত শান্তিপূর্ণ হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনে বিজয়ী দলের নেতা কর্তৃক পরাজিত দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা এবং পরাজিত দল কর্তৃক বিজয়ীদের অভিনন্দন জানানো নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে ওঠার পূর্বাভাস বলে মনে হচ্ছিল। কিন্তু সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেওয়া বা না নেওয়া, বিষয়কে কেন্দ্র করে বিজয়ী ও পরাজিতদের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধ এবং ১১ দলীয় জোটভুক্ত দলগুলো কর্তৃক মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান বর্জন নতুন শঙ্কার জন্ম দিয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা, দ্রুতই সংকট কেটে যাবে এবং আমরা সকলে মিলে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় শামিল হবো।

ভোটগণনা ও ফলাফল ঘোষণা নিয়ে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভোটগণনা শেষে ধাপে খাপে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে এবং এ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অসঙ্গতির অভিযোগ ব্যাপকভাবে সামনে না এলেও ঢাকাসহ দেশের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনে গণনা বিলম্ব হওয়া এবং কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল প্রতিবেদনে ঘষামাজা, এজেন্টদের অগ্রিম স্বাক্ষর নিয়ে নেওয়া, স্বাক্ষরবিহীন কেন্দ্র ফলাফল প্রতিবেদন প্রেরণ ও গ্রহণ, ইত্যাদি অনিয়ম লক্ষ্য করা গেছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট নির্বাচন কমিশন ও গণমাধ্যমের কাছে এসব অভিযোগ উত্থাপন করে ৩০টি আসনের ব্যালট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছে। তাই এ মানদণ্ডে নির্বাচনটি কাঙ্ক্ষিত মানের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে পেরেছে বলে আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয় না।

সংবাদ সম্মেলনে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হয়েছে। সবগুলো দল ফলাফল মেনে নিয়েছে। ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে আমরা আগেও প্রশ্ন তুলছিলাম, যদি কমিশন আমাদের সুপারিশকৃত আইনে অন্তর্ভুক্ত করতো, তাহলে এসব সমস্যস এড়ানো যেত।

তিনি বলেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তির আদেশের জন্য জনগণ রায় দিয়েছে। বিএনপি শপথের সংস্কার না নেওয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। যদিও ক্ষমতাসীন দল বলেছে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে তারা অঙ্গীকারবদ্ধ।

আরএএস/বিএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow