দিনে ৪ ঘণ্টা ইন্ডাকশন চুলায় রান্না করলে মাসে বিদ্যুৎ খরচ কত?

বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার প্রভাব এখন অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও বিরাজ করছে। গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, সরবরাহের অনিশ্চয়তা এবং রান্নার জ্বালানির বাড়তি খরচের কারণে অনেক পরিবার বিকল্প পদ্ধতির দিকে নজর দিচ্ছে। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে ধীরে ধীরে বাড়ছে ইন্ডাকশন চুলা ও বৈদ্যুতিক রাইস কুকারের ব্যবহার। কারণ এসব যন্ত্রে গ্যাস ছাড়াই সহজে রান্না করা যায়। তবে অনেকের মনে একটি সাধারণ প্রশ্ন থাকে ইন্ডাকশন চুলা ব্যবহার করলে মাসে বিদ্যুৎ বিল কত বাড়তে পারে? বিষয়টি বোঝার জন্য আগে জানতে হবে এই যন্ত্রগুলো কতটা বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। বাজারে সাধারণত ১২০০ ওয়াট ক্ষমতার ইন্ডাকশন কুকটপ বেশি দেখা যায়। এটি এক ঘণ্টা চালালে প্রায় ১.২ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়। ধরা যাক, একটি পরিবার দিনে গড়ে ৪ ঘণ্টা ইন্ডাকশন চুলা ব্যবহার করছে। সে ক্ষেত্রে প্রতিদিন বিদ্যুৎ খরচ হবে প্রায় ৪.৮ ইউনিট (১.২ ইউনিট × ৪ ঘণ্টা)। যদি বাংলাদেশের গড় হিসেবে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭ থেকে ৮ টাকার কাছাকাছি ধরা হয়, তাহলে দৈনিক খরচ দাঁড়াতে পারে প্রায় ৩৪ থেকে ৩৮ টাকার মধ্যে। এই হিসাব মাসিক হিসেবে ধরলে খরচ হতে পারে প্রায় ১০০০ থেকে ১১৫০ টাকার মতো। তবে এটি একটি আনুম

দিনে ৪ ঘণ্টা ইন্ডাকশন চুলায় রান্না করলে মাসে বিদ্যুৎ খরচ কত?

বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার প্রভাব এখন অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও বিরাজ করছে। গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, সরবরাহের অনিশ্চয়তা এবং রান্নার জ্বালানির বাড়তি খরচের কারণে অনেক পরিবার বিকল্প পদ্ধতির দিকে নজর দিচ্ছে। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে ধীরে ধীরে বাড়ছে ইন্ডাকশন চুলা ও বৈদ্যুতিক রাইস কুকারের ব্যবহার। কারণ এসব যন্ত্রে গ্যাস ছাড়াই সহজে রান্না করা যায়।

তবে অনেকের মনে একটি সাধারণ প্রশ্ন থাকে ইন্ডাকশন চুলা ব্যবহার করলে মাসে বিদ্যুৎ বিল কত বাড়তে পারে? বিষয়টি বোঝার জন্য আগে জানতে হবে এই যন্ত্রগুলো কতটা বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। বাজারে সাধারণত ১২০০ ওয়াট ক্ষমতার ইন্ডাকশন কুকটপ বেশি দেখা যায়। এটি এক ঘণ্টা চালালে প্রায় ১.২ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়।

ধরা যাক, একটি পরিবার দিনে গড়ে ৪ ঘণ্টা ইন্ডাকশন চুলা ব্যবহার করছে। সে ক্ষেত্রে প্রতিদিন বিদ্যুৎ খরচ হবে প্রায় ৪.৮ ইউনিট (১.২ ইউনিট × ৪ ঘণ্টা)। যদি বাংলাদেশের গড় হিসেবে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭ থেকে ৮ টাকার কাছাকাছি ধরা হয়, তাহলে দৈনিক খরচ দাঁড়াতে পারে প্রায় ৩৪ থেকে ৩৮ টাকার মধ্যে।

এই হিসাব মাসিক হিসেবে ধরলে খরচ হতে পারে প্রায় ১০০০ থেকে ১১৫০ টাকার মতো। তবে এটি একটি আনুমানিক হিসাব। বাস্তবে রান্নার ধরন, ব্যবহারের সময়, চুলার পাওয়ার সেটিং এবং বিদ্যুতের স্থানীয় ট্যারিফের উপর নির্ভর করে এই খরচ কমবেশি হতে পারে।

বিদ্যুৎ খরচ কিছুটা কমাতে কয়েকটি সহজ পদ্ধতি অনুসরণ করা যায়। যেমন রান্নার সময় পাত্রে ঢাকনা ব্যবহার করা, প্রেসার কুকার ব্যবহার করা এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে বেশি সময় চুলা চালু না রাখা। এতে রান্না দ্রুত শেষ হয় এবং বিদ্যুৎও কম খরচ হয়।

আরও পড়ুন
কোন গতিতে ফ্যান চালালে বিদ্যুৎ বিল কম আসবে?
দিনে ৮ ঘণ্টা এসি চললে মাসে বিদ্যুৎ বিল কত আসবে?

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow