দুদকের মামলায় পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলী ৩ দিনের রিমান্ডে

জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে করা মামলায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয়ের অবসরপ্রাপ্ত গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী ওরফে জীবনকে তিনদিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। দুদকের আবেদনে বলা হয়, আসামি আবেদ আলী অবসরপ্রাপ্ত গাড়িচালক হলেও তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে তার ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া যায়, যেখানে একাধিক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত রয়েছে। আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, আবেদ আলী সংঘবদ্ধ প্রশ্নফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও নথিপত্র পর্যালোচনায় তার কাছ থেকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও উপাত্ত পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে দুদক মনে করছে। এসব কারণে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের

দুদকের মামলায় পিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলী ৩ দিনের রিমান্ডে

জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে করা মামলায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয়ের অবসরপ্রাপ্ত গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী ওরফে জীবনকে তিনদিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, আসামি আবেদ আলী অবসরপ্রাপ্ত গাড়িচালক হলেও তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে তার ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া যায়, যেখানে একাধিক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত রয়েছে।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, আবেদ আলী সংঘবদ্ধ প্রশ্নফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও নথিপত্র পর্যালোচনায় তার কাছ থেকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও উপাত্ত পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে দুদক মনে করছে।

এসব কারণে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন উল্লেখ করে দুদক সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি এ মামলা করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে করা এ মামলায় আবেদ আলীকে গ্রেফতার দেখানো (শ্যোন অ্যারেস্ট) হয়।

এমডিএএ/একিউএফ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow