দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি রাডার স্যাটেলাইট ‘রাদ-১’ উন্মোচন করবে ইরান
ইরানের মহাকাশ কর্মসূচিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। দেশটির প্রথম সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত রাডার স্যাটেলাইট ‘রাদ-১’ শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হবে বলে জানিয়েছেন ইরান স্পেস এজেন্সির প্রধান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাসান সালারিয়েহ। খবর মেহের নিউজ এজেন্সির।
বুধবার (১৫ জুলাই) দেশটির মহাকাশ কর্মসূচি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সালারিয়েহ বলেন, ‘রাদ-১’ ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মহাকাশ প্রকল্পগুলোর একটি। স্যাটেলাইটটি ২০২৬ সালের শুরুর দিকেই উন্মোচনের পরিকল্পনা ছিল। তবে মহাকাশ প্রযুক্তি উন্নয়নের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই যে ধরনের কারিগরি জটিলতা দেখা দেয়, সেই কারণে প্রকল্পটির সময়সূচিতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।
সালারিয়েহ বলেন, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম রাডার স্যাটেলাইটের সফল উন্মোচন ইরানের মহাকাশ শিল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।
এদিকে, ‘রাদ-১’-এর পর আরও উন্নত সংস্করণ ‘রাদ-২’ তৈরির কাজও ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। নতুন এই রাডার স্যাটেলাইটে আরও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে এবং এর চিত্র ধারণের নির্ভুলতা ‘রাদ-১’-এর তুলনায়
ইরানের মহাকাশ কর্মসূচিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। দেশটির প্রথম সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত রাডার স্যাটেলাইট ‘রাদ-১’ শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হবে বলে জানিয়েছেন ইরান স্পেস এজেন্সির প্রধান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাসান সালারিয়েহ। খবর মেহের নিউজ এজেন্সির।
বুধবার (১৫ জুলাই) দেশটির মহাকাশ কর্মসূচি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সালারিয়েহ বলেন, ‘রাদ-১’ ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মহাকাশ প্রকল্পগুলোর একটি। স্যাটেলাইটটি ২০২৬ সালের শুরুর দিকেই উন্মোচনের পরিকল্পনা ছিল। তবে মহাকাশ প্রযুক্তি উন্নয়নের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই যে ধরনের কারিগরি জটিলতা দেখা দেয়, সেই কারণে প্রকল্পটির সময়সূচিতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।
সালারিয়েহ বলেন, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম রাডার স্যাটেলাইটের সফল উন্মোচন ইরানের মহাকাশ শিল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।
এদিকে, ‘রাদ-১’-এর পর আরও উন্নত সংস্করণ ‘রাদ-২’ তৈরির কাজও ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। নতুন এই রাডার স্যাটেলাইটে আরও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে এবং এর চিত্র ধারণের নির্ভুলতা ‘রাদ-১’-এর তুলনায় বেশি হবে বলে জানান তিনি।
মহাকাশ খাতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণও বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন ইরান স্পেস এজেন্সির প্রধান। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে দেশীয়ভাবে নির্মিত মাইক্রো ও ন্যানো স্যাটেলাইটগুলো আরও উন্নত মানের চিত্র ধারণে সক্ষম হবে।
এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় স্যাটেলাইট ও ভূ-তথ্যভিত্তিক সেবা সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলেও জানান সালারিয়েহ। তার মতে, এসব প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো গেলে দেশের বিভিন্ন খাতে দক্ষতা ও কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।